স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী
স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী
কিশোরকুমারের নাতনির আইডল কে? বাবা না ঠাকুরদা?
(হেসে) দু’জনের কেউই নন।
তবে কে?
সুনীধি চৌহান। দাদু, বাবা দু’জনেই ভালো গায়ক। দাদু তো দেশের মানুষের হৃদয়জুড়ে রয়েছেন। কিন্তু আমার কণ্ঠস্বর অনেকটা সুনীধির সঙ্গে মেলে। তাছাড়া রেগে, পপ জাতীয় গান আমার ভীষণই পছন্দের। তাই সুনীধিকেই ফলো করি। স্টেজে ওঁর গান গাই। অবশ্যই দাদুর গানও গাই। বাবার গাওয়া গানও গাই।
কিশোরকুমারের সব গান শুনেছেন?
না, সব শুনে উঠতে পারিনি। অনেক স্বল্পশ্রুত গান আছে ওঁর। বাবাও অনেক সময়ে বলেন, এটা শুনে দেখ, ওটা শুনে দেখ।
কিশোরকুমারের কোন গান আপনার সবেচেয়ে ভালো লাগে?দাদুর একটা গানই আমার অলটাইম ফেভারিট, ‘মেরে আপনে’ ছবির ‘কোই হোতা জিসকো আপনা হাম আপনা কহেলেতে ইয়ারো’। ওঁর কণ্ঠস্বরে একটা ম্যাজিক আছে।
কিশোরকুমার গান শেখেননি। অমিতকুমার বোধহয় কয়েকমাস শেখার চেষ্টা করে ছেড়ে দেন...
বাবা ছ’ মাস শিখেছিলেন। আমি গত দেড় বছর ধরে শিখছি। গৌতম মুখোপাধ্যায় আমার গুরু।গানের ক্ষেত্রে বাবা টিপস দেন?
ওরে বাবা! বাবা আমাকে গানের ব্যাপারে কোনও টিপস দেন না। আমার বোধহয় তখন বছর দশ কি বারো বয়স। বাবার সঙ্গে একটা অ্যালবাম করেছিলাম, সেটার নাম ‘বাবা মেরে’। কিশোরকুমারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ছিল সেটা। তখন বাবা আমাকে যা বকাবকি করেছিলেন, তা কোনওদিন ভুলতে পারব না। আসলে সব বাবারাই বোধহয় ছেলেমেয়েদের প্রতি একটু ক্রিটিক্যাল হন। বাবা একটু ভুল করলেই দাদুও বলতেন, তোমার দ্বারা গান হবে না। বাবাও বোধহয় দাদুর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাকে খুব বকেছিলেন।
ফিল্মে গাওয়ার অফার পেলেন?
ফিল্মে গান গাওয়ার ব্যাপারে আমি একটু দ্বিধায় রয়েছি। কারণ বাবা একটা সময়ে ইন্ডাস্ট্রির রাজনীতিতে বিরক্ত হয়ে ফিল্মে গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। আমি সেসব ঘটনা বাবার মুখে শুনেছি। যদি কখনও দেখি পরিস্থিতি শুধরেছে, তখন ভাবব। আমার কাছে অনেকেই প্রস্তাব রেখেছেন। যেমন আদনান সামি আমাকে তাঁর কাছে যেতে বলেছেন। উনি চান আমাকে দিয়ে গাওয়াতে। আবার অনেকে জানেনই না যে আমি গান গাই। জানতে পারলে হয়তো ডাকতেও পারেন।