


সংবাদদাতা, পতিরাম: রাস্তায় পথ আটকে এক কিশোরীকে কুপ্রস্তাব। তাতে রাজি না হওয়ায় কিশোরীর হাত ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। তাতেও না পেরে তাকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করল এক যুবক। ছোট বোন যা দেখে বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে চিৎকার শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। ততক্ষণে এলাকা থেকে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। এদিকে ওই যুবকের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে কিছুক্ষণের জন্য সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে কিশোরী। সোমবার বিকেলে এমন ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় বালুরঘাটের চকভৃগু গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি গ্রামে। কিশোরীর পরিবারের তরফে বালুরঘাট থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়েই বালুরঘাট থানার পুলিস যুবকের খোঁজ শুরু করেছে।
বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস বলেন, এনিয়ে মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই যুবকের খোঁজ চলছে।
পুলিস সূত্রে খবর,বালুরঘাট শহর লাগোয়া এক গ্রামের ১৬ বছর বয়সি কিশোরী। সে বালুরঘাট শহরের একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ওই কিশোরীর বাবা-মা দু’জনই ভিনরাজ্যে কাজ করেন। তাই পড়াশোনার জন্য তাঁরা মেয়েকে মাসির বাড়িতে রেখে কাজে গিয়েছেন। এদিকে ওই ছাত্রী স্কুলে এবং টিউশন যাওয়ার পথে মাঝেমধ্যেই অভিযুক্ত যুবক পিছু নেয়। মাঝেমধ্যেই ওই যুবক কিশোরীকে কুপ্রস্তাব দেয়। কিশোরী পাত্তা না দিলে যুবকের রাগ আরও বাড়তে থাকে। সোমবার ওই কিশোরী তার মাসির মেয়ে তথা ছোট নাবালিকাকে নিয়ে বাড়ির পাশেই মাঠে খেলাধুলো করে ফিরছিল। সেসময় তার পথ আটকায় যুবক। এরপরেই তাকে জোর করে হাত ধরে টেনে শ্লীলতাহানি করে। এমনকী ধর্ষণেরও চেষ্টা করে।
এনিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কিশোরীরর মাসি। তিনি বলেন,আমার ভাগ্নিকে প্রায় দিনই ওই যুবক বিরক্ত করত। নানারকম কুপ্রস্তাব দিত। তার জন্য ভাগ্নি বাড়ি থেকে একা বের হতে পারত না। গতকাল কার্যত একা পেয়েই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। এনিয়ে অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এদিকে ঘটনার পর থেকেই যুবক পলাতক। ওই এলাকার পাশের গ্রামেই কদিন আগে একইভাবে এক নাবালিকার শ্লীলতাহানি করা হয়। ফের একই জায়গায় একই ধরনের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে।