


ভোপাল: ১৪ বছরের নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে গাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ। মধ্যপ্রদেশের বেতুলে আমলা থানা এলাকার ঘটনা। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি একজনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি গত শুক্রবারের। নবম শ্রেণির ছাত্রী বিকেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। তখনই তিন যুবক বিলাসবহুল এসইউভিতে এসে তাকে বাড়ি পৌঁছে দেবে বলে। তাদের কথা শুনে ওই ছাত্রী গাড়িতে উঠতেই তিন যুবক তাকে অন্য জায়গায় নিয়ে চলে যায়। তবে তখনও ওই কিশোরী তিনজনের মতলব বুঝতে পারেনি। অভিযুক্তরা জানায়, গাড়ির কিছু কাজ আছে। সেগুলি করেই তাকে বাড়ি ছেড়ে আসবে। তবে সন্ধ্যা নামতে গাড়ির ভিতরেই শুরু হয় অত্যাচার। দুই যুবক পিছনের আসনে গিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। একজন গাড়ি চালাচ্ছিল। পরে সেও ওই নাবালিকার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। মূল দুই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে যে গাড়ি চালাচ্ছিল সে পলাতক।এদিকে ওই কিশোরীকে অত্যাচারের পর অভিযুক্তরা আমলা রেলস্টেশনের কাছে ছেড়ে দিয়ে যায়। তবে নাবালিকা এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল যে, সে বাড়ি না ফিরে স্টেশনেই থেকে যায়। শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ রেল পুলিশকর্মীরা স্টেশনের ওয়েটিং রুমে গিয়ে ওই নাবালিকাকে দেখতে পান। তাকে বিধ্বস্ত অবস্থায় দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। তখনই নানা প্রশ্ন করলে নাবালিকা তার উপর অত্যাচারের কথা পুলিশকর্মীদের জানায়। এরপর তার বাড়িতে খবর দেওয়া হয়।
কিশোরীর বাবা-মা জানিয়েছেন, মেয়ে সারারাত বাড়ি না ফিরলেও তারা ভেবেছিলেন যে, সে হয়ত কোনও বন্ধুর বাড়ি থেকে গিয়েছে। কারণ ওই নাবালিকা আগেও এমন করেছে। বর্তমানে ওই কিশোরী প্রচণ্ড আতঙ্কে রয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। তার বয়ানের ভিত্তিতেই পুলিশ অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে দু’জনকে গ্রেফতার করে। বাকি একজনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।