নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১ আগস্ট থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে জনগণনার কাজ। বৃহস্পতিবার এনিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে নবান্নে। সূত্রের খবর, ইনিউমারেটর (যাঁরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণনার কাজ করবেন) এবং সুপারভাইজ়ার হিসাবে যেসব শিক্ষককে নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের কর্মস্থলের এলাকাতেই নিযুক্ত করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে সেখানে। জনগণনার কাজের জন্য যাতে স্কুলের পঠনপাঠন ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই প্রস্তাব উঠে এসেছে বলে খবর। বাড়ি বাড়ি যাওয়ার সময় ইনিউমারেটরদের হেনস্তা হওয়ার আশঙ্কা আছে। যেখানে এমন আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে পুলিশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর (সেন্সাস) নিখিল পবন কল্যাণ এবং পদস্থ কর্তারা। এদিনই সিদ্ধান্ত হয়, সেল্ফ ইনিউমারেশনে জোর দিতে হবে। নাগরিক নিজেই অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য জমা করবেন। সাধারণ মানুষকে এই প্রক্রিয়ায় উৎসাহিত করতে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে। সেলিব্রিটিদের পাশপাশি স্কুল ও কলেজ পড়ুয়াদের মাধ্যমে চলবে প্রচার। ১ থেকে ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত চলবে সেল্ফ ইনিউমারেশন। দ্বিতীয় পর্বে এই সময়কালে অনলাইনে উঠে আসা তথ্য নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই প্রক্রিয়া চলবে। যাঁরা সেল্ফ ইনিউমারেশন করতে পারবেন না, এই সময়কালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের তথ্য পোর্টালে তুলবেন ইনিউমারেটররা।
সেনসাস বিজ্ঞপ্তি জারি হয় গেলে ‘হাউস ব্লক লিস্টিং’ ফ্রিজ হয়ে যায়। অর্থাৎ, আর ডিলিমিটেশন করা যায় না। তবে এই নিয়মের আওতায় পড়বে না কলকাতাসহ কিছু পুরসভায় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া। ফলে এসব এলাকায় জনগণনার কাজ ব্যাহত হবে না।