নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যক্ষ্মা দমনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হল কেন্দ্র। দেশজুড়ে নিল নয়া কর্মসূচি। বাংলাও অংশ নিচ্ছে নতুন কর্মসূচিতে। নাম ‘টিবি দূরীকরণে ১০০ দিনের পণ।’ ৭ ডিসেম্বর দিল্লিতে এই কর্মসূচির সূচনা হবে। আর ৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে বাংলায়। চলবে নতুন বছরের ২৪ মার্চ পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। কলকাতা সহ রাজ্যের ২০টি জেলা স্বাস্থ্যজেলার সাড়ে ৬ কোটি মানুষকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এগুলি হল কলকাতা, আলিপুরদুয়ার, বীরভূম, বিষ্ণুপুর স্বাস্থ্যজেলা, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, হুগলি, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, নদীয়া, নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্যজেলা, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং উত্তর দিনাজপুর।
Advertisement
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই ঘোষণা করেছিলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে টিবিমুক্ত দেশ গড়তে হবে। মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যদপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের জানিয়েছেন, ’২৫ সালে মধ্যে যক্ষ্মামুক্ত বাংলা চাই।
কী করা হবে এই ১০০ দিনের পণে? স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রের খবর, এই ১০০ দিন ধরে জেলায় জেলায় ক্যাম্প করা হবে। তার প্রধান লক্ষ্য হবে টিবি রোগীদের খুঁজে বের করা। সেকাজে আশাকর্মীদের যুক্ত করা হবে। এই সময় টিবিপ্রবণ মানুষজনের কফ পরীক্ষা করা হবে। কারা যক্ষ্মাপ্রবণ, সে তালিকাও দিয়েছে রাজ্য। যেমন—সুগারের রোগী, এইচআইভি পজিটিভ, আগে টিবি হওয়া মানুষ, ধূমপায়ী, মদ্যপায়ী, বাড়িতে টিবি রোগী আছেন বা সংস্পর্শে আছেন এমন মানুষ, ষাঠোর্ধ্ব, অপুষ্টিতে ভোগা মানুষ প্রমুখ।
কী করা হবে এই ১০০ দিনের পণে? স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রের খবর, এই ১০০ দিন ধরে জেলায় জেলায় ক্যাম্প করা হবে। তার প্রধান লক্ষ্য হবে টিবি রোগীদের খুঁজে বের করা। সেকাজে আশাকর্মীদের যুক্ত করা হবে। এই সময় টিবিপ্রবণ মানুষজনের কফ পরীক্ষা করা হবে। কারা যক্ষ্মাপ্রবণ, সে তালিকাও দিয়েছে রাজ্য। যেমন—সুগারের রোগী, এইচআইভি পজিটিভ, আগে টিবি হওয়া মানুষ, ধূমপায়ী, মদ্যপায়ী, বাড়িতে টিবি রোগী আছেন বা সংস্পর্শে আছেন এমন মানুষ, ষাঠোর্ধ্ব, অপুষ্টিতে ভোগা মানুষ প্রমুখ।



