নয়াদিল্লি: লক্ষ্য ছিল, বায়ুদূষণ কমানো। আর সেই কারণে দিল্লিতে যে সব বাণিজ্যিক গাড়ি প্রবেশ করবে, তার উপর কর বসানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ মেনে ২০১৫ সাল থেকে ওই কর নেওয়া শুরু হয়। পোশাকি নাম—এনভায়রনমেন্ট কম্পেনসেশন চার্জ (ইসিসি)। কিন্তু সেই কর সংগ্রহের ক্ষেত্রেও অনিয়ম সামনে এল। সোমবার দিল্লি বিধানসভায় পেশ হয়েছে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (ক্যাগ) রিপোর্ট। তাতে দেখা গিয়েছে, দু’ধাপে ২৮০ দিনের কর সংগ্রহের কোনো হদিশ নেই। একইসঙ্গে কর বাবদ আদায় হওয়া ৮৪৩ কোটি টাকাও খরচ হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, পরিবেশ কর নেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে দিল্লি পুরনিগম (এমসিডি)। যে সময়ের কর সংগ্রহের হিসাব নেই, সেই সময় এমসিডিতে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। দিল্লির গণপরিবহণ ও সড়ক পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্যই ওই টাকা খরচ করার কথা বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেই টাকা আদৌ ঠিক খাতে খরচ হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



