Bartaman Logo
১৩ আগস্ট, ২০২৬

দিল্লিতে দূষণ ঠেকাতে কর: ২৮০ দিনের হিসাবই নেই, জানাল ক্যাগ

লক্ষ্য ছিল, বায়ুদূষণ কমানো। আর সেই কারণে দিল্লিতে যে সব বাণিজ্যিক গাড়ি প্রবেশ করবে, তার উপর কর বসানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

দিল্লিতে দূষণ ঠেকাতে কর: ২৮০ দিনের হিসাবই নেই, জানাল ক্যাগ
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: লক্ষ্য ছিল, বায়ুদূষণ কমানো। আর সেই কারণে দিল্লিতে যে সব বাণিজ্যিক গাড়ি প্রবেশ করবে, তার উপর কর বসানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ মেনে ২০১৫ সাল থেকে ওই কর নেওয়া শুরু হয়। পোশাকি নাম—এনভায়রনমেন্ট কম্পেনসেশন চার্জ (ইসিসি)। কিন্তু সেই কর সংগ্রহের ক্ষেত্রেও অনিয়ম সামনে এল। সোমবার দিল্লি বিধানসভায় পেশ হয়েছে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (ক্যাগ) রিপোর্ট। তাতে দেখা গিয়েছে, দু’ধাপে ২৮০ দিনের কর সংগ্রহের কোনো হদিশ নেই। একইসঙ্গে কর বাবদ আদায় হওয়া ৮৪৩ কোটি টাকাও খরচ হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, পরিবেশ কর নেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে দিল্লি পুরনিগম (এমসিডি)। যে সময়ের কর সংগ্রহের হিসাব নেই, সেই সময় এমসিডিতে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। দিল্লির গণপরিবহণ ও সড়ক পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্যই  ওই টাকা খরচ করার কথা বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেই টাকা আদৌ ঠিক খাতে খরচ হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরেই দূষণে জেরবার ভারতের রাজধানী শহর। প্রতি বছর শীত এলেই ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় দিল্লি। বায়ুদূষণ মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম ইসিসি। ডিজেলচালিত বাণিজ্যিক গাড়ি যাতে কম সংখ্যায় দিল্লিতে প্রবেশ করে, তার জন্যই এই নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, এই টাকা সংগ্রহ করবে এমসিডি এবং তা দিল্লি সরকারের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ক্যাগ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৬২৪ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা ইসিসি বাবদ সংগ্রহ হয়েছে। কিন্তু ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল এবং ২০২০ সালের ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের কোনো হিসাব নেই। এনিয়ে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল ক্যাগ। কিন্তু এমসিডি বা দিল্লি সরকার কোনো উত্তর দেয়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ