চেন্নাই: তামিলনাড়ু বিধানসভায় ডিলিমিটেশন বিরোধী বিল পাশ করাবে সরকার। শনিবার এ সংক্রান্ত এক সর্বদল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠকের পর কংগ্রেস সাংসদ জ্যোতিমণি জানিয়েছেন, আমরা ডিলিমিটেশন বিলের বিরোধী। কারণ এই প্রস্তাবিত আসন পুনর্বিন্যাস বিল কার্যকর হলে প্রকৃত গণতন্ত্রই থাকবে না। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সর্বদল বৈঠকের আয়োজন করে খুব ভালো পদক্ষেপ নিয়েছেন। তামিলনাড়ুর সব রাজনৈতিক দলের সাংসদদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। যদিও এই বৈঠক বয়কট করে বিরোধী দল ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের সাংসদরা। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নেতৃত্ব টিভিকে জোট সরকারের এই উদ্যোগকে ‘প্রহসন’ ও ‘নাটক’ বলে তোপ দেগেছে বিরোধী শিবির। ফলে এদিনের বৈঠকে তামিলনাড়ুর মোট ৫৭ সাংসদের (লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে) উপস্থিত রইলেন মাত্র ১৯ জন।
আসন পুনর্বিন্যাস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় স্তরে দলমত নির্বিশেষে তামিলনাড়ুর সব সাংসদ যাতে এক সুরে কথা বলেন, সেই লক্ষ্যে আলোচনার জন্য বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। রাজ্যে পুনর্বিন্যাসের প্রভাব কী হতে পারে, তাও ছিল আলোচনার এজেন্ডা। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দলে এখনও কোনো নির্বাচিত সাংসদ নেই। তবে এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন টিভিকে সরকারের জোট শরিক কংগ্রেস,ভিসিকে, এমডিএমকে, আইইউএমএল ও ‘বন্ধু’ দল সিপিআই, সিপিএমের সাংসদরা। যদিও ডিএমকে এই বৈঠক বয়কট করে। দলের নেতা এ রাজা সাংবাদিকদের বলেন, টিভিকে সরকার এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে, সেটি নিয়ে কিছু জানাই নেই। সম্পূর্ণ প্রহসন ও হাস্যকর কাজ। সমালোচনা করতে ছাড়েনি এআইএডিএমকে-ও। দলীয়ভাবে প্রকাশিত বিবৃতিতে তারা বলেছে, কাবেরী ইস্যুতে বিরোধীরা সবাই সর্বদল বৈঠকের দাবি তুললেও মুখ্যমন্ত্রী গুরুত্ব দেননি। কিন্তু যে বিলটি এখনও সংসদে পেশই হয়নি, তা নিয়ে বৈঠক করছেন।