


পুরী: গোপন কুঠুরিতে বড় বড় সিন্দুক। সোনাদানা-হিরে-মণিমনিক্য ঠাসা! জল্পনা, গুজব ও মিথ— অভাব নেই কিছুরই। কিন্তু বাস্তবে কত অলঙ্কার তিন দেবদেবীর? তা জানতেই পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারে বুধবার শুরু হচ্ছে সমীক্ষার কাজ। দীর্ঘ ৪৮ বছর পর শ্রীমন্দিরে বহু প্রতীক্ষিত অলঙ্কার গণনা হতে চলেছে। সুনির্দিষ্ট এসওপি ও গাইডলাইন মেনে চলবে সেই কাজ।
এর আগে শেষবার ১৯৭৮ সালে রত্নভাণ্ডারে সমীক্ষার মাধ্যমে অলঙ্কারের তালিকা তৈরি হয়েছিল। সেই তালিকা থেকেই অলঙ্কার ও রত্ন ধরে ধরে চলবে গণনা ও যাচাই। করা হবে ওজন। তবে রত্নভাণ্ডারে সমীক্ষার এই প্রক্রিয়ায় অলঙ্কার ও রত্নের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে না বলে কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে। সমীক্ষার কাজে অংশ নিচ্ছেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের প্যানেলভুক্ত স্বর্ণকার, রিজার্ভ ব্যাংকের প্রতিনিধি, দু’জন অভিজ্ঞ রত্নবিদ, মন্দিরের ছ’জন সেবায়েত সহ অন্যান্যরা। উল্লেখ্য, ওড়িশায় ভোটের আগে রত্নভাণ্ডারে সমীক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। ক্ষমতা দখলের পর এবার হাইকোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে সেই কাজই শুরু করতে চলেছে সেরাজ্যের সরকার। মন্দিরের ঐতিহ্য মেনে বুধবার দুপুর ১২টা ৯ মিনিট থেকে ১টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে পুণ্যলগ্ন মেনে সমীক্ষার কাজ শুরু হবে। রাজ্য সরকার নির্ধারিত এসওপি মেনে অলঙ্কারের যাচাইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি ও ৩ডি ম্যাপিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ডকুমেন্টেশনের কাজ হবে। প্রতিটি অলঙ্কারের সুসংহত ও নিরাপদ রেকর্ড তৈরি হবে।