Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উত্তর দিনাজপুরে নতুন তিনটি রেলপথ নির্মাণে সমীক্ষা শুরু

উত্তর দিনাজপুরে নতুন তিনটি রেলপথের নির্মাণের জন্য সমীক্ষা শুরু। এলাকার বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

উত্তর দিনাজপুরে নতুন তিনটি রেলপথ নির্মাণে সমীক্ষা শুরু
  • ৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: অনুমোদন আগেই হয়েছিল। এবার রায়গঞ্জ-ডালখোলা, গাজোল-ইটাহার এবং রায়গঞ্জ-ইটাহার নতুন তিনটি রেলপথ নির্মাণের আগে জমি চিহ্নিতকরণের জন্য পুরোদমে সমীক্ষা শুরু করে দিল এনএফ রেল। কোন পথে রেলপথ নির্মাণ হলে সবদিক থেকে সুবিধা হবে, তাই সমীক্ষার মাধ্যমে বিবেচনা হবে। রবিবার রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল একথা জানান। তিনি বলেন, বছরের শুরুতেই উত্তর দিনাজপুর জেলার রেল মানচিত্রে নতুন তিনটি রেলপথ যুক্ত হওয়ার অনুমোদন মিলেছিল। এবার সেই রেলপথ তৈরির আগে শুরু হল সমীক্ষা। আশা করা যাচ্ছে, রেলের তরফে এই সমীক্ষা শেষ হলে রেলপথ নির্মাণের মূল কাজ শুরু হবে।

Advertisement

এর আগে মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি মেনে প্রায় চল্লিশ কিমি দৈর্ঘ্যের রায়গঞ্জ-ডালখোলা নতুন লাইন, ২২ কিমি বিশিষ্ট রায়গঞ্জ-ইটাহার নতুন লাইন এবং ২৭ কিমির গাজোল-ইটাহার নতুন লাইনের অনুমোদন দেয় রেল। আর এই নতুন রেলপথগুলি তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হলে মালদহ ও আলুয়াবাড়িতে এই তিনটি রেলপথ বিকল্প রুট হিসাবে সমান্তরালভাবে কাজ করবে। এছাড়াও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় এই রেল পরিষেবা গৌড়বঙ্গের অনেকাংশের বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত প্রসার ঘটাবে। 
আগামীতে রেলপথ সম্পূর্ণ হলে রায়গঞ্জ–ইটাহার নতুন রেলপথ চারটি স্টেশন ছুঁয়ে যাবে। যথাক্রমে রায়গঞ্জ, রূপাহার হল্ট, দুর্গাপুর এবং ইটাহার। এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য বড়ো এবং ছোটো সেতু তৈরি করতে হবে। একইভাবে গাজোল-ইটাহার নতুন রেলপথ তৈরি হলে গাজোল, ব্যাঙর হল্ট আর ইটাহার স্টেশন কভার করবে। এক্ষেত্রেও ছোটো এবং বড়ো সেতু নির্মাণের প্রয়োজন পড়বে। রায়গঞ্জ-ডালখোলা রেলপথ নির্মাণ হলে রায়গঞ্জ, বিলাসপুর হল্ট, টুঙ্গিদিঘি, করণদিঘি এবং ডালখোলা স্টেশন কভার করবে। এক্ষেত্রেও ছোটো এবং বড়ো সেতু নির্মাণের মাধ্যমে নতুন রেলপথটি সংযুক্ত হবে। 
নতুন রেলপথ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় দীর্ঘদিনের দাবি মিটতে চলছে উত্তর দিনাজপুর জেলাবাসীর। সাংসদ বলেন, জেলার বিভিন্ন মহল থেকে দীর্ঘদিন ধরে এই রেলপথ প্রসঙ্গে দাবি সামনে আসছিল। যার উপর ভিত্তি করে আমরা রেলমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছিলাম। তার ভিত্তিতেই এই কাজ হচ্ছে। 
যদিও রায়গঞ্জ-ইটাহার হয়ে গাজোল রেললাইনের দাবি দীর্ঘদিনের। এক সময় ওই রেলপথ তৈরির কাজ শুরু হয়ে থমকে গিয়েছিল। যার জন্য এখনও রেল লাইনের কংক্রিটের স্লিপার ইটাহারের সুলিয়াপাড়া এলাকায় দুই দশক ধরে পড়ে আছে। কিন্তু এবার সেই পুরনো আক্ষেপ মিটবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ