Bartaman Logo
১৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

চমক অপেক্ষা করছে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পালটা দিল তেহরান, ৪২টি জেট-ড্রোন হারিয়েছে আমেরিকা, দাবি রিপোর্টে

শান্তিচুক্তির জন্য ইরানকে ২-৩ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শর্ত না মানলে ফের হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি।

চমক অপেক্ষা করছে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পালটা দিল তেহরান, ৪২টি জেট-ড্রোন হারিয়েছে আমেরিকা, দাবি রিপোর্টে
  • ২১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

তেহরান ও ওয়াশিংটন: শান্তিচুক্তির জন্য ইরানকে ২-৩ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শর্ত না মানলে ফের হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার পালটা জবাব দিল তেহরানও। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারির সুরে বলেছেন, আমেরিকা ও ইজরায়েল ফের শত্রুতা শুরু করলে তা তাদের সেনাবাহিনীর জন্য নতুন বিপর্যয় ডেকে আনবে। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ইরানই প্রথম এফ-৩৫এ ফাইটার জেট ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। আগের সংঘাত থেকে তেহরান প্রচুর সামরিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ফলে ফের যুদ্ধ শুরু হলে প্রচুর ‘চমক’ অপেক্ষা করে থাকবে। একই সুরে ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মহম্মদ আক্রমিনিয়ার হুমকি, ট্রাম্প ফের হামলার চেষ্টা করলে ইরান যুদ্ধের ‘নতুন ফ্রন্ট’ খুলবে। অর্থাত্, নতুন নতুন স্থানে হামলা চালাবে ইরানি সেনা। এর আগে ট্রাম্প জানান, গত মঙ্গলবারই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু একাধিক বন্ধু রাষ্ট্রে অনুরোধে তিনি মাত্র এক ঘণ্টা আগে হামলার সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখেন। তবে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, শান্তি চুক্তি নিয়ে ইরানকে বেশিদিন সময় দেবেন না। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার হামলা করতে পারি বা চলতি সপ্তাহের শেষে। আবার পরের সপ্তাহেও হামলা চালাতে পারি। আমরা ওদের পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে দেব না।’

Advertisement

এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চালাতে গিয়ে সেনার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে রিপোর্ট দিল আমেরিকার সরকারি সংস্থা। কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস) জানিয়েছে, মার্কিন সেনার অন্তত ৪২টি বিমান ও ড্রোন ইরান যুদ্ধে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ফাইটার জেট, একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং টু ফাইটার জেট, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু গ্রাউন্ড-অ্যাটাক জেট, সাতটি রিফুয়েলিং বিমান, একটি ই-৩ এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল বিমান, দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো টু স্পেশাল অপারেশনস বিমান একটি এইচএইচ-৬০ ডবলু জলি গ্রিন হেলিকপ্টার, ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন। মার্কিন কংগ্রেস ও তার বিভিন্ন কমিটির নীতি ও আইনি বিশ্লেষণের কাজ করে থাকে সিআরএস। বিভিন্ন প্রতিবেদন ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর, সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতির উপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধের জন্য আমেরিকার খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের বেশি! 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ