Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বালুরঘাট থেকে শীঘ্রই উড়ান, দাবি সুকান্তের

বালুরঘাট বিমানবন্দর শীঘ্রই উড়ান পরিষেবা চালু হবে, দাবি সুকান্ত মজুমদারের। কেন্দ্র-রাজ্যের সহযোগিতায় এই বিমানবন্দর গুরুত্বপূর্ণ। বিস্তারিত পড়ুন।

বালুরঘাট থেকে শীঘ্রই উড়ান, দাবি সুকান্তের
  • ৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: ডবল ইঞ্জিন সরকারে বালুরঘাট বিমানবন্দরকে নিয়ে এবার আশার আলো দেখছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাবাসী।

Advertisement

এক টাকার বিনিময়ে পূর্বতন রাজ্য সরকারকে বালুরঘাট এয়ারপোর্টের জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। সেই জমিতে বিশাল রানওয়ে তৈরি হলেও গত একযুগে উড়ান চালু হয়নি। অভিযোগ, কেন্দ্র-রাজ্যের সংঘাতে তা হয়ে ওঠেনি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবার বালুরঘাট বিমানবন্দরকে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার হাতে তুলে দিতে রাজি রাজ্যের নয়া বিজেপি সরকার। এব্যাপারে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। তাই সোমবার নয়াদিল্লিতে বালুরঘাট এয়ারপোর্ট নিয়ে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে রামমোহন নাইডুর সঙ্গে বৈঠক করলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট বিমানবন্দর থেকে দ্রুত উড়ান পরিষেবা চালুর ব্যাপারে মন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন সুকান্ত।
সূত্রের খবর, এই বিমানবন্দরে উড়ান চালুর জন্য কেন্দ্র সরাসরি দায়িত্ব নিতে চলেছে। তবে রানওয়ে আরও কিছুটা সম্প্রসারণ করা হবে। সাংসদ সুকান্তর বক্তব্য, কয়েকদিন আগেই বালুরঘাট বিমানবন্দর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বালুরঘাট বিমানবন্দরকে এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হবে। এব্যাপারে রাজ্য সরকার সমস্তরকম সহযোগিতা করবে। আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সমস্ত বিষয় জানিয়েছি। তিনি গুরুত্ব সহকারে শুনে আশ্বাস দিয়েছেন। শীঘ্রই বালুরঘাট থেকে উড়ান চালু হবে। 
সূত্রের খবর, বালুরঘাট বিমানবন্দরে ১৫২ একর জমি রয়েছে। তারমধ্যে ১ হাজার ৩৮০ মিটার রানওয়ে। এই রানওয়েতে ছোটো বিমান ওঠানামা করতে পারলেও বড়ো বিমানের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। তাই আরও ৫০০ মিটার রানওয়ে বাড়ানো হতে পারে। তাহলে বড়ো বিমান ওঠানামার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা থাকবে না। 
জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে বালুরঘাট বিমানবন্দরের সব কাজ শেষ হয়ে যায়। একাধিকবার এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া এবং রাজ্যের পরিবহণ দপ্তর বালুরঘাট বিমানবন্দর পরিদর্শন করলেও আজও উড়ান চালু হয়নি। এতদিন এই বিমানবন্দরের জায়গা রাজ্যের অধীনে রয়েছে। কেন্দ্র-রাজ্যের যোগসূত্র স্থাপন এবং অসহযোগিতার কারণে উড়ান চালুর স্বপ্ন এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ