সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: জেলার সদর শহর সিউড়ির বেশিরভাগ ওয়ার্ডেই এখনও আবর্জনা ফেলার ডাস্টবিন নেই। ফলে রাস্তার ধারে নিকাশিনালায় আবর্জনা ফেলে রাখা হচ্ছে। আবার কিছু ওয়ার্ডে ডাস্টবিন থাকলেও তা ভর্তি হয়ে আবর্জনা রাস্তায় পড়ে থাকছে। ফলে দুর্গন্ধে পথ চলাই দায় হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের। শহরবাসীর অভিযোগ, পুরসভা এনিয়ে উদাসীন।
Advertisement
সিউড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুরসভার তরফে আবর্জনা সাফাইয়ে নাইট সার্ভিস চালু হয়েছে। কিন্তু আমাদের গাড়ি আবর্জনা সাফাই করে যাওয়ার পরই দেখা যায়, কেউ কেউ ফের রাস্তায় বর্জ্য ফেলছেন। নাগরিকদের একটু সচেতন হতে হবে।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে পচা শাকসব্জি, বিস্কুটের প্যাকেট, এঁটো শালপাতা প্রভৃতি পড়ে থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ, অনেকক্ষেত্রে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে সেই আবর্জনা রাস্তায় পড়ে থাকে। পুরসভার তরফে তা সাফাই করা হয় না। সিউড়ি শহরে ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে কিছু ওয়ার্ডে ডাস্টবিন রয়েছে। বেশিরভাগ ওয়ার্ডেই তা নেই।
পুলিস লাইন থেকে বিদ্যাসাগর কলেজ যাওয়ার রাস্তা, মৌমাছি কালীমন্দির থেকে বড়বাগান যাওয়ার রাস্তার ধারে আবর্জনার দুর্গন্ধের কারণে পথচারীরা সমস্যায় পড়েন। এক কলেজছাত্রী বলেন, এমনিতেই বালি, পাথর পড়ে থাকার কারণে রাস্তা সরু হয়ে গিয়েছে। তারপর আবার মাঝেমধ্যে দেখি, পুলিস লাইনের কাছে বিভিন্ন দোকানের সামনে রাস্তার ধারেই আবর্জনা ফেলা হয়েছে। রাস্তায় বড় গাড়ি ঢুকলে আমাদের সেই আবর্জনার উপর দিয়েই হাঁটতে হয়। হাটজনবাজার থেকে কেন্দুয়া, বারুইপাড়া, ইন্দিরাপল্লি, মসজিদ মোড়, টিন বাজার, এসপির মোড় থেকে সদর হাসপাতাল যাওয়ার রাস্তা সহ বিভিন্ন এলাকায় ডাস্টবিন না থাকায় কখনও রাস্তার ধারে, আবার কখনও নিকাশিনালায় আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এতে এলাকায় মশামাছির উৎপাত বাড়ছে। এলাকা দূষিত হওয়ায় স্থানীয়রা তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা স্বপন শর্মা বলেন, রাস্তার পাশেই নতুন অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স। সেখানকার আবর্জনা রাস্তার ধারে ফেলা হচ্ছে। পুরসভা আবর্জনা তুলতে দু’একদিন দেরি করলেই দুর্গন্ধে চলাফেরা করা যায় না।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে পচা শাকসব্জি, বিস্কুটের প্যাকেট, এঁটো শালপাতা প্রভৃতি পড়ে থাকতে দেখা যায়। অভিযোগ, অনেকক্ষেত্রে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে সেই আবর্জনা রাস্তায় পড়ে থাকে। পুরসভার তরফে তা সাফাই করা হয় না। সিউড়ি শহরে ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে কিছু ওয়ার্ডে ডাস্টবিন রয়েছে। বেশিরভাগ ওয়ার্ডেই তা নেই।
পুলিস লাইন থেকে বিদ্যাসাগর কলেজ যাওয়ার রাস্তা, মৌমাছি কালীমন্দির থেকে বড়বাগান যাওয়ার রাস্তার ধারে আবর্জনার দুর্গন্ধের কারণে পথচারীরা সমস্যায় পড়েন। এক কলেজছাত্রী বলেন, এমনিতেই বালি, পাথর পড়ে থাকার কারণে রাস্তা সরু হয়ে গিয়েছে। তারপর আবার মাঝেমধ্যে দেখি, পুলিস লাইনের কাছে বিভিন্ন দোকানের সামনে রাস্তার ধারেই আবর্জনা ফেলা হয়েছে। রাস্তায় বড় গাড়ি ঢুকলে আমাদের সেই আবর্জনার উপর দিয়েই হাঁটতে হয়। হাটজনবাজার থেকে কেন্দুয়া, বারুইপাড়া, ইন্দিরাপল্লি, মসজিদ মোড়, টিন বাজার, এসপির মোড় থেকে সদর হাসপাতাল যাওয়ার রাস্তা সহ বিভিন্ন এলাকায় ডাস্টবিন না থাকায় কখনও রাস্তার ধারে, আবার কখনও নিকাশিনালায় আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এতে এলাকায় মশামাছির উৎপাত বাড়ছে। এলাকা দূষিত হওয়ায় স্থানীয়রা তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা স্বপন শর্মা বলেন, রাস্তার পাশেই নতুন অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স। সেখানকার আবর্জনা রাস্তার ধারে ফেলা হচ্ছে। পুরসভা আবর্জনা তুলতে দু’একদিন দেরি করলেই দুর্গন্ধে চলাফেরা করা যায় না।



