লখনউ: নামেই স্কুল। কিন্তু বাস্তবে নেই রাজ্য। পরিশ্রুত পানীয় জল, পাখা, আলো, বেঞ্চ, পুষ্টিকর মিড ডে মিল। নেই এর তালিকা দীর্ঘ। সঙ্গে রয়েছে খোলা তারে বিপদের ভয়, ছাদ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা। বছরের পর বছর এভাবেই চলছিল স্কুল। অভিযোগ করলে শাস্তি জুটতো বলেও অভিযোগ। অবশেষে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল গত গত ২৮ জুলাই। উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুরে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ করে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির প্রায় দেড় হাজার পড়ুয়া। ছাত্র আন্দোলনের জেরেই অবশেষে দাবি মেনে নেওয়ার লিখিত আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
পড়ুয়ারা পথে নামতেই টনক নড়ে প্রশাসনের। দ্রুত স্কুলটিতে ছুটে যান নায়েব তহসিলদার, স্কুল ইনস্পেক্টর রাকেশ কুমার ও অন্যান্য আধিকারিকরা। ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তাঁরা। আটটি দাবির মধ্যে সাতটি মেনে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা পরে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়।
আন্দোলনের মুখ দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়া অঙ্কুর সোনকার জানিয়েছে, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছি। নূন্যতম সুবিধা চেয়েছি।’ অঙ্কুর আরো বলে, গরমে ছোটোরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বর্ষায় ছাদ চুঁইয়ে জল পড়ায় ক্লাস করার পরিস্থিতি থাকে না। এর উপর ঘোলা পানীয় জল, মিড ডে মিলে পচা খাবার। এই সবের প্রতিবাদ করায় আমায় ১৫দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল।