রাঁচি: শনিবারও বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসল ঝাড়খণ্ড সরকার। দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চলে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার বৈঠকেও কোনো সমাধান সূত্র মেলেনি। এরপরই আন্দোলনকারীদের সাফ বার্তা—যতদিন না পর্যন্ত সরকার সমস্ত দাবি মেনে নিচ্ছে, বিক্ষোভ কর্মসূচি চলবে।
রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে চলছে পড়ুয়াদের প্রতিবাদ কর্মসূচি। অনশন জারি রেখেছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাত সহ বেশ কয়েকজন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, ১৪তম ঝাড়খণ্ড পিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা বাতিল করে অনিয়মের তদন্ত করা হোক। সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত চালাতে হবে। এরইমাঝে এদিন ঝাড়খণ্ড সরকারের তিন মন্ত্রীর একটি কমিটি জেএলকেএম নেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতর নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। তারপর এনএসইউআই, এসিএস বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে। সংগঠনগুলির তরফে একাধিক দাবি রাখা হয়। কিন্তু শেষপর্যন্ত সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। এদিকে, বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের সমর্থনে শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বাড়ির উদ্দেশে মিছিল করে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সদস্যরা। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হয় এই মিছিল। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি পৌঁছে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে এবিভিপি সদস্যরা। আর তখনই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ঘটনায় আট-দশজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবারই পড়ুয়াদের সমর্থনে রাঁচিতে হাজির হয়েছিলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরা। তাঁকে লক্ষ্য করে কালিও ছোড়া হয়। এনিয়ে চর্চা তুঙ্গে। এরইমাঝে শনিবার জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে একটি পৃথক মঞ্চ তৈরি করল আইসা। আন্দোলনকে আরও জোরদার করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা।