নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: পছন্দের লোককে রেশন ডিলারশিপ পাইয়ে দিতে মরিয়া নদীয়া জেলার নানা এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। তাই ডিলারশিপ পেতে ভুড়ি ভুড়ি আবেদন জমা পড়েছে। অনেকক্ষেত্রেই এক জায়গা থেকে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে। এমনকী, কোনও কোনও জায়গা থেকে ১০টির বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোথাও এলাকার জনপ্রতিনিধি, আবার কোথাও দাপুটে নেতার সুপারিশ আসছে খাদ্যদপ্তরের কাছে। ফলে আধিকারিকরা সমস্যায় পড়েছেন। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, একটি জায়গায় একজনকেই রেশনের ডিলারশিপ দেওয়া যাবে। তাই সেক্ষেত্রে, সুপারিশ করা নেতার ‘প্রভাব’ যাচাই করতে হচ্ছে প্রশাসনকে। যদিও তা ‘খাতায়-কলমে’ হচ্ছে না। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, নিত্যদিন শাসকদলের নেতাদের ‘আবদার’ তাঁদের ব্যতিব্যস্ত রাখছে। তবে তাতে নেতাদের বিশেষ লাভ হচ্ছে না। কারণ ডিলারশিপ দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াই নবান্ন থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়।
Advertisement
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদীয়ায় রেশন ডিলারের সংখ্যা প্রায় ১২০০। তবে সম্প্রতি নতুন করে জেলার ৭২ টি জায়গায় রেশন ডিলার নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। সেইমতো প্রশাসনের তরফে আবেদনকারীদের ইন্টারভিউ নিয়ে তবেই ডিলারশিপ দেওয়া হচ্ছে। তাতে দেখা গিয়েছে, ৭০টি জায়গা থেকে ডিলারশিপ নেওয়ার জন্য ৩৫০-এর বেশি আবেদন জমা পড়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি জায়গা থেকে প্রায় ছ’টি করে আবেদন এসেছে। এমনও জায়গা রয়েছে, যেখান থেকে ১০টি আবেদন জমা পড়েছে। বেশকিছু আবেদনের পিছনে কোনও না কোনও স্থানীয় নেতার হাত রয়েছে। আবেদনকারীকে রেশন ডিলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রানাঘাট, চাপড়া সহ বেশিকিছু এলাকা থেকে এরকম আবেদন এসেছে।
খাদ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিলারশিপ পাওয়ার যোগ্য হলে তবেই অনুমোদন হচ্ছে। অযোগ্য হলে তৎক্ষণাৎ তা বাতিল করা হচ্ছে। তবে ডিলারশিপ-সংক্রান্ত বেশ কিছু কোর্ট কেস রয়েছে।
অতীতে দেখা গিয়েছে, ডিলারশিপ নিলেও অনেকে ঠিকমতো খাদ্য সরবরাহ করতে পারে না। আবার রেশনসামগ্রী অন্যত্র পাচারের ঘটনাও ঘটে। অনেক ডিলারের খাদ্যসামগ্রী রাখার জায়গা না থাকায় তা পড়ে পড়ে নষ্ট হয়। তাই এবার ডিলারশিপ দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকার কড়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে করা হচ্ছে। পুরো বিষয়ে রাজ্য থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সম্পাদক জয়দেব সাহা বলেন, ডিলারশিপ দেওয়া নিয়ে শাসকদল প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে। যা কাম্য নয়। এখন ডিলারশিপ পেতে আবেদনকারীদের ইন্টারভিউ দিতে হয়। তবে আমাদের দাবি, নতুন ডিলারশিপ না করিয়ে, ক্ষুদ্র ডিলারদের এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হোক। ওয়েস্ট বেঙ্গল এম আর ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, ডিলারশিপ নেওয়ার জন্য ভালো সংখ্যায় আবেদন জমা পড়ছে। প্রশাসন তদন্ত করে যাদের যোগ্য মনে করছে, তাদের ডিলারশিপ দিচ্ছে।
খাদ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিলারশিপ পাওয়ার যোগ্য হলে তবেই অনুমোদন হচ্ছে। অযোগ্য হলে তৎক্ষণাৎ তা বাতিল করা হচ্ছে। তবে ডিলারশিপ-সংক্রান্ত বেশ কিছু কোর্ট কেস রয়েছে।
অতীতে দেখা গিয়েছে, ডিলারশিপ নিলেও অনেকে ঠিকমতো খাদ্য সরবরাহ করতে পারে না। আবার রেশনসামগ্রী অন্যত্র পাচারের ঘটনাও ঘটে। অনেক ডিলারের খাদ্যসামগ্রী রাখার জায়গা না থাকায় তা পড়ে পড়ে নষ্ট হয়। তাই এবার ডিলারশিপ দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকার কড়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে করা হচ্ছে। পুরো বিষয়ে রাজ্য থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সম্পাদক জয়দেব সাহা বলেন, ডিলারশিপ দেওয়া নিয়ে শাসকদল প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে। যা কাম্য নয়। এখন ডিলারশিপ পেতে আবেদনকারীদের ইন্টারভিউ দিতে হয়। তবে আমাদের দাবি, নতুন ডিলারশিপ না করিয়ে, ক্ষুদ্র ডিলারদের এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হোক। ওয়েস্ট বেঙ্গল এম আর ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, ডিলারশিপ নেওয়ার জন্য ভালো সংখ্যায় আবেদন জমা পড়ছে। প্রশাসন তদন্ত করে যাদের যোগ্য মনে করছে, তাদের ডিলারশিপ দিচ্ছে।



