সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ঋণের দায়ে রেললাইনে মাথা দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বধূ। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে সূতির কয়াডাঙা রেললাইন এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম রেনু বিবি(৪০)। তাঁর বাড়ি সূতির বাজিতপুর পঞ্চায়েতের পুড়াপাড়ায়। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। গৃহবধূর স্বামী সহ চার সন্তান রয়েছে। ওই গৃহবধূর নামে একাধিক ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থায় কয়েক লক্ষ টাকা ঋণ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঋণের টাকা শোধ দিতে না পারায় মানসিক চাপেই তিনি মালগাড়ি আসার সময় রেললাইনে মাথা দেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও ঋণ প্রদানকারী সংস্থার কর্মীদের দাবি, গ্রাহকদের কোনওরকম চাপ দেওয়া হয় না।
Advertisement
এপ্রসঙ্গে সূতি থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই বধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গৃহবধূর একাধিক ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার কাছে ঋণ ছিল। প্রতিমাসে কয়েক হাজার টাকা কিস্তি দিতে হতো। তা সময় মতো তিনি দিতে না পারায় ঋণ প্রদানকারীর সংস্থার কর্মীরা বাড়িতে এসে চাপ সৃষ্টি করত বলে মৃতার আত্মীয় পরিজনদের দাবি। এদিন দুপুর লোনের কিস্তির টাকা দেওয়ায় কথা ছিল। বধূর স্বামী চেন্নাইতে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। তিনিও বাড়িতে টাকা পাঠাতে পারেননি। দিনরাত বিড়ি বেঁধে কিস্তির টাকা জোগাড় করতে পারেননি ওই বধূও। এদিন সকালে তিনি কয়াডাঙা রেললাইনের ধারে ঘোরাঘুরি করছিলেন। একটি মালগাড়ি আসতেই তিনি রেললাইনে গিয়ে শুয়ে পড়েন। মালগাড়ির চাকায় বধূর দেহ কার্যত দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়।
পুলিস ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গৃহবধূর একাধিক ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার কাছে ঋণ ছিল। প্রতিমাসে কয়েক হাজার টাকা কিস্তি দিতে হতো। তা সময় মতো তিনি দিতে না পারায় ঋণ প্রদানকারীর সংস্থার কর্মীরা বাড়িতে এসে চাপ সৃষ্টি করত বলে মৃতার আত্মীয় পরিজনদের দাবি। এদিন দুপুর লোনের কিস্তির টাকা দেওয়ায় কথা ছিল। বধূর স্বামী চেন্নাইতে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। তিনিও বাড়িতে টাকা পাঠাতে পারেননি। দিনরাত বিড়ি বেঁধে কিস্তির টাকা জোগাড় করতে পারেননি ওই বধূও। এদিন সকালে তিনি কয়াডাঙা রেললাইনের ধারে ঘোরাঘুরি করছিলেন। একটি মালগাড়ি আসতেই তিনি রেললাইনে গিয়ে শুয়ে পড়েন। মালগাড়ির চাকায় বধূর দেহ কার্যত দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়।



