বিলাসপুর: স্ত্রীর সম্মতি নেই। তাসত্ত্বেও প্রাপ্তবয়স্ক অর্ধাঙ্গিনীর সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার কোনও অপরাধ নয়। এক মামলার রায়ে এমনই মত প্রকাশ করেছে ছত্তিশগড় হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি নরেন্দ্রকুমার ব্যাসের এজলাসে মামলাটির শুনানি ছিল। তাতে উল্লিখিত যুক্তির ভিত্তিতে অস্বাভাবিক যৌনাচারের ফলে স্ত্রীর মৃত্যুতে অভিযুক্ত স্বামীকে মুক্তি দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত সূত্রে খবর, বিকৃত যৌনাচারের কারণে স্ত্রীর মৃত্যুর কারণে জগদলপুরের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছিল। স্ত্রীর মৃত্যুকালীন জবানবন্দিকে হাতিয়ার করে ২০১৭ সালে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। বস্তারের দায়রা আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিযুক্ত। তাঁর আইনজীবী যুক্তি দেন, স্ত্রীর মৃত্যুকালীন বয়ান ছাড়া অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আর কোনও প্রমাণ নেই। দুই সাক্ষীর বক্তব্যকেও গুরুত্ব দেয়নি দায়রা আদালত। যদিও রাজ্যের আইনজীবী এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। সওয়াল-জবাব শেষে গত ১৯ নভেম্বর রায় দান স্থগিত রাখেন বিচারপতি। সোমবার তিনি জানান, স্ত্রীর বয়স ১৫ বা তার বেশি হলে সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ক বা কার্যকলাপকে ধর্ষণ বলা যায় না। তাছাড়া, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারাও যুক্ত করা হয়েছিল। সেপ্রসঙ্গে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ৩৭৭ ধারায় উল্লিখিত বিকৃত যৌনচার যদি স্ত্রী ও স্বামীর মধ্যে হয়, তাকে অপরাধ হিসেবে দেখা ঠিক নয়।



