সংবাদদাতা, কালিয়াচক: বধূ নির্যাতনের ঘটনা প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে। কিন্তু, স্বামীর ওপর নির্যাতনের ঘটনা সেরকম প্রকাশ্যে আসে না। অনেক সময় লজ্জার খাতিরে অভিযোগ দায়ের তো দূরের কথা, কারও কাছে নিজের এই কষ্ট প্রকাশও করেন না পুরুষরা। কিন্তু সমীক্ষা বলছে পুরুষদেরও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। সেটা মানসিকই হোক কিংবা শারীরিক। মাসখানেক আগে বেঙ্গালুরুর ইঞ্জিনিয়ার অতুল সুভাষের আত্মহত্যার ভিডিও ভাইরালের পর এখন অনেকেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন। সামাজিক ভীতি এড়িয়ে স্ত্রীর বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন এক যুবক। ঘটনাটি বৈষ্ণবনগর থানার অন্তর্গত লক্ষীপুর জোহর আলিটোলা গ্রামের।
Advertisement
লক্ষ্মীপুর জোহর আলিটোলা গ্রামের এই যুবকের সঙ্গে দুই বছর আগে কালিয়াচক থানা এলাকার সুজাপুরডাঙার এক যুবতীর বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। প্রথমে সবটা ভালোই ছিল। তারপর স্বামীকে তাঁর মাকে ছেড়ে আলাদা থাকার জেদ তোলে ওই বধূ। কিন্তু যুবক প্রথমে মাকে ছেড়ে আলাদা সংসার করতে রাজি হননি। এতে ওই বধূ তার স্বামীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে বলে অভিযোগ। এতেই অবসাদে চলে যান ওই যুবক। পরবর্তীতে মায়ের থেকে যুবককে আলাদা করলে স্বামী-স্ত্রী বিরোধ মিটে যায়। যুবকের অভিযোগ, আলাদা সংসারেও শুরু হয় ঝামেলা। স্ত্রী প্রায়ই তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করত। প্রতিবাদ করলেই স্বামীকে বেধড়ক মারধর করত। বধূর বাপের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন ওই যুবক।
এদিন থানায় দাঁড়িয়ে যুবক বলেন, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী আমার উপর মানসিক অত্যাচার করত। মাঝেমধ্যে মারধর করত। কয়েকদিন আগে আমার স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। আমি কাজ থেকে ফিরে এসে দেখি স্ত্রী আলমারির লকারে থাকা ২৫ হাজার টাকা নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে। আমি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে টাকার কথা জিজ্ঞাসা করতেই ওরা আমাকে মারার জন্য ধেয়ে আসে। আমি কোনওমতে পালিয়ে আসি। ওরা প্রায়ই আমাকে মারধরের হুমকি দেয়। আমি সমস্তটাই থানায় লিখিতভাবে জানিয়েছি।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই বধূ। তাঁর বক্তব্য, সবই মিথ্যা। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলছে আমার স্বামী। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হচ্ছে।
এদিন থানায় দাঁড়িয়ে যুবক বলেন, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী আমার উপর মানসিক অত্যাচার করত। মাঝেমধ্যে মারধর করত। কয়েকদিন আগে আমার স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। আমি কাজ থেকে ফিরে এসে দেখি স্ত্রী আলমারির লকারে থাকা ২৫ হাজার টাকা নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছে। আমি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে টাকার কথা জিজ্ঞাসা করতেই ওরা আমাকে মারার জন্য ধেয়ে আসে। আমি কোনওমতে পালিয়ে আসি। ওরা প্রায়ই আমাকে মারধরের হুমকি দেয়। আমি সমস্তটাই থানায় লিখিতভাবে জানিয়েছি।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই বধূ। তাঁর বক্তব্য, সবই মিথ্যা। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলছে আমার স্বামী। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত হচ্ছে।



