নয়াদিল্লি: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন নিরীহ মানুষ। নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে সেই ঘটনার কড়া নিন্দা করলেন অংশগ্রহণকারী দেশের রাষ্ট্রনেতারা। শনিবার ব্রিকসের ঘোষণাপত্রে যৌথভাবে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলার অঙ্গীকারের কথাও জানিয়েছে ভারত,চীন, রাশিয়ার মতো দেশগুলি। পহেলগাঁও হামলায় পাকিস্তানের মদতের বিষয়টি বারবার সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকসের ঘোষণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তান ফের কূটনৈতিকভাবে কোণঠাসা হল। চীন বরাবর পাকিস্তানের বন্ধু। সেই চীনও সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নের কড়া বার্তা দেওয়ায় পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়ল বলে মনে করা হচ্ছে।
ব্রিকসের ঘোষণা স্থান পেয়েছে ১৪০টি পয়েন্ট বা বিষয়। ৪০ নম্বরে রয়েছে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জোরালো নিন্দা। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার কড়া নিন্দা করা হচ্ছে। কারও নাম না করলেও ব্রিকসের ঘোষণাপত্রে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গি কার্যকলাপে আর্থিক মদত ও তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে পহেলগাঁও নাশকতার নিন্দাকে বড়ো কূটনৈতিক সাফল্য বলে মনে করছে ভারত। কারণ, নয়াদিল্লি বারবার দাবি করেছে, ওই জঙ্গি হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন রয়েছে। সেসংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্যও প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু, বরাবরের মতোই তা অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। তা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাশিয়া, চীনের মতো শক্তিশালী দেশের নেতারা ওই ঘটনার নিন্দা করায় সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে ইসলামবাদকে কোণঠাসা করার কৌশল কাজ এসেছে। এমনটাই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।