নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে ঝগড়া অশান্তি লেগেই থাকত। কর্মকার দম্পতির পারিবারিক অশান্তির কথা পাড়া প্রতিবেশী সকলেরই জানা। অশান্তি এড়াতে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতে উঠেছিলেন স্ত্রী বিমলা কর্মকার (৪২)। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হল না। শুক্রবার গভীর রাতে মদ্যপ স্বামীর হাতে খুন হলেন স্ত্রী। ধারালো অস্ত্রের কোপে স্ত্রী’কে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন মদ্যপ ওই স্বামী কমল কর্মকার (৫০)। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুরের মোহনপুর থানার সূর্যপুর এলাকায়।
Advertisement
শনিবার সকালে কমল বমি করতে করতে এবং রীতিমতো টলতে টলতে শ্যালকের ঘরের সামনে গিয়ে পড়ে যান। সন্দেহ হওয়ায় ছেলে লিটন ও পরিবারের লোকেরা ঘরে ঢুকে দেখেন ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে কমলের স্ত্রী বিমলা। পাশে পড়ে ধারালো দা। দু’জনকেই তড়িঘড়ি উদ্ধার করে বারাকপুর বিএনবসু হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা দম্পতিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিস ও পরিবারের ধারণা, স্ত্রীকে ঘুমন্ত অবস্থায় দা দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করার পর দা দিয়ে নিজের গলা কেটে এবং বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন কমল। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে এদিনই মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। একইসাথে খবর দেওয়া হয়েছে ফরেন্সিক টিমকে।
বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের ডি সি (সেন্ট্রাল) ইন্দ্রবদন ঝা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে স্বামী মদ্যপ অবস্থায় প্রায়ই তাঁর স্ত্রীকে মারধর করতেন। তাঁদের মধ্যে অশান্তিও হতো প্রায়শই। স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মহিলা বারাকপুরের একটি নার্সিংহোমে কাজ করলেও, স্বামীর নির্দিষ্ট কোনও কাজ ছিল না। যখন যেমন কাজ পেতেন, সেই কাজ করতেন। তবে মদ্যপান করে বাড়িতে ঢুকে প্রায়শই স্ত্রীকে মারধরও করতেন। অশান্তি এড়াতে বছর কুড়ি আগে দেবপুকুরের শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পাশ্ববর্তী সূর্যপুরে ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতে ওঠেন বিমলা। বছর খানেক পর স্বামীও সেখানে গিয়ে থাকতে শুরু করেন এবং আগের মতোই অশান্তি শুরু করে।
বিমলার ছেলে লিটন বলেন, ‘শুক্রবার রাতে বাবা মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফেরে। মায়ের শরীর খারাপ থাকায় আমার ঘরে ঘুমাচ্ছিল। ঘুমন্ত অবস্থায় মাকে ডেকে অন্য ঘরে নিয়ে যায় বাবা। আমি রাতে ঘুমিয়ে পড়ি। শনিবার ভোরের দিকে বাবা টলতে টলতে মামা’র ঘরের সামনে এসে পড়ে যায়। মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরোচ্ছিল, গলায় রক্তের দাগ ছিল। সন্দেহ হওয়ায় মা যে ঘরে ছিল, সেখানে ছুটে যেতেই দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে মায়ের নিথর দেহ। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে মোহনপুর থানার পুলিস ওই বাড়ি সিল করে দিয়েছে।
বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের ডি সি (সেন্ট্রাল) ইন্দ্রবদন ঝা বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে স্বামী মদ্যপ অবস্থায় প্রায়ই তাঁর স্ত্রীকে মারধর করতেন। তাঁদের মধ্যে অশান্তিও হতো প্রায়শই। স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মহিলা বারাকপুরের একটি নার্সিংহোমে কাজ করলেও, স্বামীর নির্দিষ্ট কোনও কাজ ছিল না। যখন যেমন কাজ পেতেন, সেই কাজ করতেন। তবে মদ্যপান করে বাড়িতে ঢুকে প্রায়শই স্ত্রীকে মারধরও করতেন। অশান্তি এড়াতে বছর কুড়ি আগে দেবপুকুরের শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পাশ্ববর্তী সূর্যপুরে ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতে ওঠেন বিমলা। বছর খানেক পর স্বামীও সেখানে গিয়ে থাকতে শুরু করেন এবং আগের মতোই অশান্তি শুরু করে।
বিমলার ছেলে লিটন বলেন, ‘শুক্রবার রাতে বাবা মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফেরে। মায়ের শরীর খারাপ থাকায় আমার ঘরে ঘুমাচ্ছিল। ঘুমন্ত অবস্থায় মাকে ডেকে অন্য ঘরে নিয়ে যায় বাবা। আমি রাতে ঘুমিয়ে পড়ি। শনিবার ভোরের দিকে বাবা টলতে টলতে মামা’র ঘরের সামনে এসে পড়ে যায়। মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরোচ্ছিল, গলায় রক্তের দাগ ছিল। সন্দেহ হওয়ায় মা যে ঘরে ছিল, সেখানে ছুটে যেতেই দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে মায়ের নিথর দেহ। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে মোহনপুর থানার পুলিস ওই বাড়ি সিল করে দিয়েছে।



