নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাপের বাড়ি থেকে টাকা না আনায় স্ত্রীকে নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার ঘটনায় স্বামী দীপঙ্কর চক্রবর্তীকে সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিল আদালত। বুধবার শিয়ালদহের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক আবির চট্টোপাধ্যায় ওই আদেশ দিয়েছেন। বিচারক সাজার সঙ্গে দশ হাজার টাকা জরিমানারও নির্দেশ দেন। আর সেই টাকা মৃতার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। বিচারক এদিন নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনার দু’টি ধারাতেই পৃথক পৃথক সাজা দেন। তবে আদালতের মন্তব্য, দু’টি সাজা একই সঙ্গে চলবে। এদিন রায় ঘোষণার আগে বিচারক দোষী সাব্যস্ত ওই অপরাধীর বক্তব্য জানতে চান। তার উত্তরে যুবক বলে, তাকে যেন কম সাজা দেওয়া হয়। সরকারি কৌঁসুলি অমলেন্দু চক্রবর্তী বলেন, ‘সমস্ত অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত যেন তার বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেয়। এরপরই বিচারক রায় ঘোষণা করেন।’ আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে উত্তর কলকাতার টালা থানা এলাকায় শম্পা চক্রবর্তী নামে ওই গৃহবধূ তাঁর শ্বশুর বাড়িতে আত্মঘাতী হন। মৃতার বাবা টালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিস নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে। গ্রেপ্তার করা হয় স্বামীকে। পরে সে জামিন পেয়ে ছিল। এদিন আদালত দোষী সাব্যস্ত করে তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করে।



