Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন জমি দখলদার মুক্ত করতেই হবে

সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন জমি দখলদার মুক্ত করতেই হবে
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন জমি রেলকে দখলদার মুক্ত করতেই হবে। সোমবার এমনটাই জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বহু আগেই সাঁতরাগাছি ঝিলের উত্তর দিকের জমি দখল করে বেশ কয়েকটি দোকান গড়ে ওঠে। সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন ওই বেআইনি দখলদারদের উচ্ছেদ করতে আগেই নির্দেশ দিয়েছিল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু সেই নির্দেশ এখনও কার্যকর করতে পারেনি রেল কর্তৃপক্ষ। আর এর মাঝেই পুনর্বাসনের দাবিতে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন ১১ জন বেআইনি দখলদার। সোমবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ছিল মামলার শুনানি। সেখানে দখলদারদের তরফে আইনজীবী দাবি করেন, ট্রাইব্যুনাল নির্দেশে পুনর্বাসনের কথা উল্লেখ করলেও তা না করেই রেল তাদের উচ্ছেদ করছে। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের ওই সংক্রান্ত নির্দেশের কপি দেখতে চান বিচারপতি সিনহা। কিন্তু এরকম কোনও নির্দেশের কপি দেখাতে ব্যর্থ হন দখলদারদের আইনজীবী। এরপরই বিচারপতি সিনহা জানিয়ে দেন, ওখানে কোনও দখলদার রাখা চলবে না। ঝিল সংলগ্ন ওই জমি রেলকে দখলদার মুক্ত করতেই হবে। এরপরই বিচারপতি নির্দেশে জানান, পুনর্বাসনের বিষয়টি নিয়ে মামলাকারীকে ট্রাইব্যুনালেরই দ্বারস্থ হতে হবে। এব্যাপারে হাইকোর্ট কোনও নির্দেশ দেবে না। উল্লেখ্য দূষণ ও দখলদারির কারণে সাঁতরাগাছি ঝিল থেকে মুখ ফিরিয়েছে পরিযায়ী পাখিরা। অথচ গত এক দশকে বহু পরিযায়ী পাখির দেখা মিলেছিল ঝিলে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে ৫৬৯৪, পরের বছর ৫৬৫১ এবং ২০২৩ সালে পাখির সংখ্যা বেড়ে হয় ৬৭৪২। কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে ২০২৪ সালের শুরুতে তা কমে দাঁড়ায় সাড়ে চার হাজারের কিছু বেশি। শীতের মরশুমে যে সব পাখির দেখা মিলত তাদের মধ্যে লেসার হুইসলিং ডাক ছিল সর্বাধিক। এর পাশাপাশি ছিল গ্যাডওয়াল, সিনামন বিটার্ন, ইয়েলো বিটার্ন, ব্ল্যাক-উইংড স্টিল্ট, লিটল করমোর‌্যান্ট, কমন মুরহেন, হোয়াইট-ব্রেস্টেড ওয়াটারহেন, ইন্ডিয়ান পন্ড হেরন, ক্যাটেল ইগ্রেট, ব্রোঞ্জ-উইংজড জাকানা, বার্ন সোয়ালো, পার্পল হেরন এবং হোয়াইট থ্রোটেড কিংফিশারের মতো পাখি। তবে এবার আর তাদের দেখা নেই।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ