Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ফ্রান্সকে ফেরানো হবে না স্ট্যাচু অব লিবার্টি, সাফ জানিয়ে দিল আমেরিকা

আমেরিকার অন্যতম আইকন স্ট্যাচু অব লিবার্টি। মার্কিন স্বাধীনতার এই প্রতীক প্রায় প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে মাথা উঁচু

ফ্রান্সকে ফেরানো হবে না স্ট্যাচু অব লিবার্টি, সাফ জানিয়ে দিল আমেরিকা
  • ১৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: আমেরিকার অন্যতম আইকন স্ট্যাচু অব লিবার্টি। মার্কিন স্বাধীনতার এই প্রতীক প্রায় প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে লিবার্টি দ্বীপে। ফ্রান্স এই মূর্তি উপহার দিয়েছিল আমেরিকাকে। এই উপহার আমেরিকায় অভিবাসী মানুষের শ্রমের স্বীকৃতিও। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে সেই মূল্যবোধে আঘাত এসেছে। তাই সেই উপহার ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন ফ্রান্সের রাজনীতিক রাফায়েল গ্লুকসম্যান। ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে এই দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভারত বলতে যেমন তাজমহল, ফ্রান্স বলতে আইফেল টাওয়ার, তেমনই আমেরিকা বলতে চোখের সামনে ভেসে ওঠে স্ট্যাচু অব লিবার্টি। গর্বের সেই স্মারক কখনও ফ্রান্সকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে না বলে সোমবার সাফ জানিয়ে দিল আমেরিকা। 

Advertisement

এদিন প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভেট এব্যাপারে ‘ছোটখাটো’ স্তরের ওই ফরাসি নেতাকে রীতিমতো কটাক্ষও করেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁকে মনে করিয়ে দিতে চাই —  শুধুমাত্র আমেরিকার কারণেই ফরাসিদের এখন জার্মান ভাষা বলতে হচ্ছে না। তাই ফ্রান্সের আমেরিকার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।’ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির কবল থেকে উদ্ধারের জন্য ফ্রান্সকে সামরিক সহায়তা দিয়েছিল আমেরিকা। ইতিহাসের সেই অধ্যায় ফ্রান্সকে মনে করিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন। 
সম্প্রতি নিজের দল প্লেস পাবলিকের সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে স্ট্যাচু অব লিবার্টি ফেরানোর প্রসঙ্গ তোলেন রাফায়েল গ্লুকসম্যান। তিনি বলেন, যে মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত হয়ে ফ্রান্স এই উপহার দিয়েছিল, তা থেকে সরে এসেছে আমেরিকা। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রায় তিন বছর গড়িয়েছে। ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সখ্য বাড়িয়েছেন। ইউক্রেনকে বাধ্য করেছেন অন্যায় শর্তে যুদ্ধ বন্ধের পথে হাঁটতে। গ্লুকসম্যান বলেন, ‘আমেরিকা এখন স্বৈরাচারীর পক্ষ নিয়েছে। তাই বলছি —আমাদের স্ট্যাচু অফ লিবার্টি ফিরিয়ে দাও।’ ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের মধ্য-বামপন্থী নেতা গ্লুকসম্যানের এই মন্তব্য ঘিরে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্লুকসম্যান আক্ষরিক অর্থেই স্ট্যাচু অব লিবার্টি ফেরত চাইছেন, এমন নয়। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় যেভাবে স্ট্যাচু অব লিবার্টিকে সামনে এনেছেন, তাতেই টনক নড়েছে ওয়াশিংটনের। 

সম্পর্কিত সংবাদ