Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুজালিতে বুইতা খালের উপর তৈরি হবে অত্যাধুনিক স্লুইস গেট, বরাদ্দ ৩৩ কোটি

পুজালি পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে হুগলি নদীর। এখানেই কংক্রিটের একটি অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় স্লুইস গেট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পুজালিতে বুইতা খালের উপর তৈরি হবে অত্যাধুনিক স্লুইস গেট, বরাদ্দ ৩৩ কোটি
  • ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: পুজালি পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে হুগলি নদীর। এখানেই কংক্রিটের একটি অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় স্লুইস গেট তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য রাজ্যের সেচদপ্তর ৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই বিশাল  স্লুইস গেটে থাকবে ১০টি কপাট। বর্ষায় জমা জল নির্গমণের পাশাপাশি মহেশতলা-ঠাকুরপুকুর ও বজবজ ব্লকে কৃষিকাজে সেচের ক্ষেত্রে এই স্লুইস গেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সেচদপ্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের কর্তাদের সূত্রে একথা জানা গিয়েছে।

Advertisement

সেচদপ্তরের আধিকারিকদের দাবি, চলতি বছর বর্ষার আগেই এই অত্যাধুনিক স্লুইস গেট তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই প্রথম দফার কাজ শুরু হয়েছে। পুজালি পুরসভার প্রশাসক তাপস বিশ্বাস এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার চিন্ময় বারুই বলেন, এই গেট তৈরির কাজে এলাকাবাসী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর পিছনে যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগ রয়েছে, সেকথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।
কলকাতা পুরসভার বেহালা, ঠাকুরপুকুর থেকে শুরু করে মহেশতলা, বজবজ ব্লকের নিকাশি জল দু’টি খাল দিয়ে হুগলি নদীতে গিয়ে পড়ে। একটি চড়িয়াল খাল। অন্যটি বুইতা খাল। এরমধ্যে চড়িয়াল বজবজ থানার পাশ দিয়ে হুগলি নদীর দিকে গিয়েছে। আর বুইতা খাল পুজালি পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া হয়ে হুগলি নদীতে গিয়ে মিশেছে। চিন্ময়বাবু বলেন, ১৯৭১ সালে  পালপাড়ায় হাতে ঘোরানো একটি কংক্রিটের স্লুইস গেট তৈরি হয়েছিল। তার এখন ভগ্নদশা। ওই গেট দিয়ে শুরুতে নিকাশির জল বের হত। পরে হুগলি নদী থেকে এই খাল দিয়েই ঢুকত সেচের জল। বজবজে চড়িয়াল খালের গভীরতা কম। তাই এই এলাকার বেশির ভাগ নিকাশি জলই বুইতা খাল হয়ে বের হয়। আপাতত এই নতুন স্লুইস গেট তৈরির জন্য পালপাড়ার ভিতর দু’টি জায়গায় মাটির বস্তা ফেলে অস্থায়ী বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে। যাতে হুগলি নদীর জল ভিতরে ঢুকতে না পারে। এছাড়াও নদীর মুখে একটি বাঁধ দেওয়ার কাজ চলছে। পালপাড়ায় এনিয়ে ব্যবস্থা তুঙ্গে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ