নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাতে নেই পর্যাপ্ত ইভিএম! যে কারণে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ফলে আপাতত আদালতের রায়ের অপেক্ষা। কিন্তু আদালতের নির্দেশ যাই হোক না কেন, ডিসেম্বরে পুর ভোট করাতে সব রকম প্রস্তুতি সেরে রাখতে চাইছে কমিশন। বুধবার সেই মতই একাধিক জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণা গুপ্ত।
এদিন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। এই জেলাগুলিতে একাধিক পুরসভায় ভোট রয়েছে। বৈঠকে ভোটার তালিকা থেকে শুরু করে পুর এলাকার সীমানা নির্ধারণ, আসন সংরক্ষণ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র-সহ নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আপাতত কমিশন স্থির করেছে, ১ জুলাই প্রকাশিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি হলে পরবর্তীতে জেলাগুলিকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে জুলাইয়ের ভোটার তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। জেলাশাসকদের এদিন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি আসন সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ করার লক্ষ্যে এগতে হবে, যাতে অক্টোবরের শেষে চূড়ান্ত সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ করা যায়। কলকাতা, হাওড়া ছাড়াও ২০১৭ সালের পর থেকে দুর্গাপুর, মুর্শিদাবাদের ডোমকল, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজালি, দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াং ও মিরিক, কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ও হলদিয়া, নদীয়ার কুপার্স ক্যাম্প, বীরভূমের নলহাটি এবং জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি পুরসভায় নির্বাচন বাকি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আরও অন্তত ১৫টি পুরসভায় প্রশাসক বসেছে। সেগুলিতেও নির্বাচন করতে হবে।