Bartaman Logo
৯ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাফাইকর্মীদের জন্য ‘স্বচ্ছ কবচ’ কিট বিতরণ রাজ্যের

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সাফাইকর্মীদের জন্য স্বচ্ছ কবচ কিট বিতরণ শুরু। ৫০ হাজার কর্মীকে কিট দেওয়া হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

সাফাইকর্মীদের জন্য ‘স্বচ্ছ  কবচ’ কিট বিতরণ রাজ্যের
  • ৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সাফাইকর্মীদের জন্য ‘স্বচ্ছ কবচ’ কিট বিতরণ শুরু করল রাজ্য সরকার। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে আলিপুরের ‘উত্তীর্ণ’তে এই উদ্যোগের সূচনা হল। রাজ্যের সকল সাফাই কর্মীকে রেইন কোট, জ্যাকেট, গ্লাভস, মাস্ক, গামবুট ও টুপি বিতরণ করা হবে। আগামী দু-মাসের মধ্যে ৫০ হাজার সাফাই কর্মীকে কিট দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি এদিন নগরোন্নয়ন ও পুরসভা বিষয়ক মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘোষণা করেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রকাশ্যে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা, থুতু ফেললে, প্রস্রাব করলে ও একবার ব্যবহার যোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার করলে ২০০ টাকা জরিমানা লাগু হবে। সঙ্গে ‘নো লিটারিং’ প্রচারও চালাবে সরকার। 

Advertisement

এদিনের অনুষ্ঠানে কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর, হুগলি, দুই ২৪ পরগনাসহ বিভিন্ন জেলার পুরসভার আধিকারিকরা সশরীরে ও ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ কর্মসূচির আওতায় আমরা ১০ দিনের রাজ্যব্যাপী অভিযানে প্রায় ২৪০০-র বেশি আবর্জনাযুক্ত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ও ২৩০০টি বন্ধ নর্দমা পরিষ্কার করেছি।’ আগামী তিনমাসের মধ্যে রাজ্যের সকল নির্মল বন্ধুদের জন্য কিট পৌঁছে যাবে। পাশাপাশি তাঁদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আওতায় আনা হচ্ছে। তিনমাস অন্তর তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার আওয়তায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রতিটি বাজারে স্বল্পমূল্যে পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ভেন্ডিং মেশিন তৈরি করবে সরকার। জুলাই মাসে তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ব্যস্ত রাস্তা, বাজার, জনবহুল এলাকায় প্রতিদিন রাস্তা পরিষ্কার করা হবে। রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন জায়গায় দিনে দুবার বর্জ্য সংগ্রহ করা হবে। একমাসব্যাপী প্রচারে সরকারের তরফে ১১ হাজার নর্দমা পরিষ্কার হয়েছে। ২৬০০ জলাশয়ের সংস্কার, ২৮০০টি আবর্জনাপূর্ণ জায়গা পরিষ্কার হয়েছে। ৩৮০টি পুরসভা এলাকায় গাছের চারা লাগানো হয়েছে। আগামী ছ-মাসে ৪৪০টি কমিউিনিটি ও ৬৬৭টি পাবলিক টয়লেট তৈরি করবে সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কলকাতাতে যেভাবে বৃক্ষছেদন করে কংক্রিটের জঙ্গল তৈরি হয়েছে, যেভাবে ১৫ বছরের বেশি বয়সের গাড়ি চলছে, এর সবচেয়ে খারাপ প্রভাব শিশু, কিশোর, বয়স্ক প্রভৃতি সব মানুষের উপরেই পড়ে। সেই কারণে চর্ম ও শ্বাস জনিত ব্যাধিতে প্রচুর মানুষকে ভুগতে হয়। আক্রান্ত হন। এই জায়গা থেকে বিভিন্ন শহরকে বাঁচাতে হবে।’  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ