Bartaman Logo
১৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উত্তরে নদীবাঁধ তৈরিতে ৬ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন রাজ্যের

উত্তরবঙ্গে নদীবাঁধ তৈরিতে ৬ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন দিল রাজ্য। তিস্তায় ড্রেজিংয়ের কাজও শুরু হচ্ছে। বিস্তারিত পড়ুন।

উত্তরে নদীবাঁধ তৈরিতে ৬ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন রাজ্যের
  • ১৭ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: তিস্তায় ড্রেজিংয়ের জন্য ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হল। সেচদপ্তর সূত্রে খবর, ময়নাগুড়ির বার্নিশ থেকে জলপাইগুড়ি মণ্ডলঘাট পর্যন্ত প্রায় ১০ কিমি এলাকায় তিস্তা নদীগর্ভ থেকে পলি ও বালি তোলার জন্য মেদিনীপুরের একটি এজেন্সি ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে। আগামী দু’বছর ধরে তারা তিস্তা থেকে বালি ও পলি তুলবে। তার বিনিময়ে রাজ্যকে রাজস্ব দেবে তারা। পাশাপাশি একাধিক নদীবাঁধ সংস্কার ও নির্মাণের জন্যও অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার সেচদপ্তরের জলপাইগুড়ির এক আধিকারিক বলেন, সেভক থেকে জলপাইগুড়ি পর্যন্ত তিস্তার যেসমস্ত জায়গায় পলি ও বালি জমে নদীর তলদেশ অনেক উঁচু হয়ে গিয়েছে, ড্রেজিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে, খতিয়ে দেখে মোট চারটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে জোন ওয়ানের অধীনে তিস্তায় ড্রেজিংয়ের জন্য ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হল। আরও তিনটি জোনে ড্রেজিংয়ের জন্য একবার টেন্ডার ডাকা হয়। সাড়া না মেলায় দ্বিতীয়বার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আশা করি, বাকি তিনটি জোনেও শীঘ্রই তিস্তায় ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করা যাবে। রেভিনিউ শেয়ারিং মেথড-এ কাজ হবে। অর্থাৎ বরাত পাওয়া সংস্থা তিস্তা থেকে যে পরিমাণ বালি ও পলি তুলবে, সেইমতো রাজ্যকে রাজস্ব দিতে হবে তাদের। 
এদিকে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় নদীবাঁধ তৈরি ও সংস্কারের জন্য আরও প্রায় ৬ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন দিল রাজ্য। সেচদপ্তর সূত্রের খবর, মাটিগাড়ার প্রমোদনগরে বালাসন নদীতে ভাঙন রোধে ৬৫০ মিটার বাঁধের কাজ হবে। খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা। কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকে দক্ষিণ মরিচবাড়িতে ঘরঘরিয়া নদীতে ৬৭০ মিটার বাঁধের কাজের অনুমোদন মিলেছে। খরচ হবে ৮৭ লক্ষ টাকা। আলিপুরদুয়ারের কালচিনি নিমতিঝোরায় কালজানি নদীর ৪৫০ মিটার বাঁধ সংস্কারে ৯২ লক্ষ টাকার কাজের অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের অধীন তিস্তাপল্লিতে মহানন্দা নদীতে ৮০০ মিটার বাঁধের কাজ হবে। খরচ হবে ১ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা।
সেচদপ্তরের উত্তর-পূর্বের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে এর আগে নদীবাঁধ ও ভাঙন রোধে চারটি কাজের অনুমোদন মিলেছে। পরবর্তীতে আরও চারটি কাজের অনুমোদন পেয়েছি আমরা। দ্রুততার সঙ্গে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হচ্ছে। তিস্তায় ড্রেজিংয়ের ক্ষেত্রেও আমরা ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছি। • ফাইল চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ