সংবাদদাতা, চাঁচল: সংস্কারের অভাবে বেহাল মালদহের চাঁচল-১ ব্লকের ঐতিহ্যবাহী কলিগ্রাম হাইস্কুলের ফুটবল মাঠ। মাঠজুড়ে খনাখন্দ আর গর্ত, কোথাও আবার আবর্জনা। খেলার পরিবেশ নেই বললেই চলে। দীর্ঘদিন ধরে বড় টুর্নামেন্টের আয়োজনও হয়নি এখানে। সংস্কার না হওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকাতেও। আট বিঘা আয়তনের এই মাঠটি কলিগ্রাম হাইস্কুলের।
Advertisement
স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, বিভিন্ন মহলে জানিয়েও এতদিনে কোনও কাজ হয়নি। সেটি স্কুলের মাঠ হলেও সারা বছর ব্যবহার করে থাকেন এলাকাবাসী। শরীরচর্চা থেকে শুরু করে সকাল বিকেল এই মাঠে মানুষের ভিড় থাকত। বর্তমানে মাঠের অবস্থা বেহাল থাকায় বিকেলে স্থানীয় কিশোর কিশোরীরা খেলাধুলো করে না।
স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মাঠটিতে সীমানা প্রাচীর না থাকায় যখন তখন বেপরোয়াভাবে পণ্যবাহী ট্রাক্টর ঢুকে পড়ে। ফলে মাঠ নষ্ট হচ্ছে। আর গবাদিপশুর বিচরণ ক্ষেত্র তৈরি হওয়ায় আবর্জনায় ভরছে মাঠে। ফলে খেলার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে, জল নিকাশির ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার পরেও কয়েক মাস জল থই থই করে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও নেই। ফলে অন্ধকারের সুযোগে রাতে অসামাজিক কাজও হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা।
কলিগ্রাম হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক দীপক রায় বলেন, মাঠের চারদিকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রয়োজন। মাঠটি সংস্কার করারও প্রয়োজন রয়েছে। এনিয়ে বিভিন্ন মহলে জানিয়েছি। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। স্থানীয় এক বাসিন্দা নূর আলম বলেন, আগে মাঠে বিকেলে ক্রিকেট খেলতাম। বর্তমানে পরিকাঠামো ঠিক না থাকায় খেলা হয় না। দ্রুত সংস্কার করা হোক। কলিগ্রামের বাসিন্দা দেবজিৎ রায় চৌধুরী বলেন, আগে শরীরচর্চা করতে স্কুল মাঠেই যেতাম। এখন বেহাল অবস্থার জন্য ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়েই হাঁটতে হয়। চাঁচলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, স্কুলে গিয়ে বিষয়টি জানতে পেরেছি। খেলার মাঠের হাল ফেরাতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুত যাতে সীমানা প্রাচীর হয় চেষ্টা করব।
স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মাঠটিতে সীমানা প্রাচীর না থাকায় যখন তখন বেপরোয়াভাবে পণ্যবাহী ট্রাক্টর ঢুকে পড়ে। ফলে মাঠ নষ্ট হচ্ছে। আর গবাদিপশুর বিচরণ ক্ষেত্র তৈরি হওয়ায় আবর্জনায় ভরছে মাঠে। ফলে খেলার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে, জল নিকাশির ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষার পরেও কয়েক মাস জল থই থই করে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও নেই। ফলে অন্ধকারের সুযোগে রাতে অসামাজিক কাজও হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা।
কলিগ্রাম হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক দীপক রায় বলেন, মাঠের চারদিকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রয়োজন। মাঠটি সংস্কার করারও প্রয়োজন রয়েছে। এনিয়ে বিভিন্ন মহলে জানিয়েছি। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। স্থানীয় এক বাসিন্দা নূর আলম বলেন, আগে মাঠে বিকেলে ক্রিকেট খেলতাম। বর্তমানে পরিকাঠামো ঠিক না থাকায় খেলা হয় না। দ্রুত সংস্কার করা হোক। কলিগ্রামের বাসিন্দা দেবজিৎ রায় চৌধুরী বলেন, আগে শরীরচর্চা করতে স্কুল মাঠেই যেতাম। এখন বেহাল অবস্থার জন্য ঝুঁকি নিয়ে সড়ক দিয়েই হাঁটতে হয়। চাঁচলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, স্কুলে গিয়ে বিষয়টি জানতে পেরেছি। খেলার মাঠের হাল ফেরাতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুত যাতে সীমানা প্রাচীর হয় চেষ্টা করব।



