নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সংসদ চত্বরে সরকার বিরোধী ধর্ণা, বিক্ষোভের দিন কি শেষ? লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সভার মধ্যে সতর্কবার্তার পাশাপাশি সচিবালয়ের জারি করা নির্দেশিকায় রাজনৈতিক মহলে এমনই প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ উঠছে, বিরোধীদের সংসদের অন্দরে-চত্বরে বিরোধীদের কণ্ঠরোধের। তৃণমূলকে সঙ্গে নিয়ে কয়েকদিন আগেই সংসদের মকর দ্বারের (যে দরজাটি হল সাংসদ, মন্ত্রীদের প্রবেশ-প্রস্থান) সামনে মোদি বিরোধী বিক্ষোভ দেখিয়েছে আম আদমি পার্টি। গত দু’দিন ধরে আদানি ইস্যুতে সোচ্চার কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। আগামী দিনেও বিরোধীরা নানা ইস্যুতে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করে রেখেছে। তবে বুধবার ওম বিড়লা লোকসভায় সাংসদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মকর দ্বারের সামনে কোনও ধর্ণা, বিক্ষোভ করবেন না। অন্য সাংসদের প্রবেশ প্রস্থানে সমস্যা হচ্ছে। তাঁরা বাধা পাচ্ছেন। মহিলা সাংসদরা আমার চেম্বারে এসে এ ব্যাপারে অভিযোগ করেছেন।’ যা শুনেই বিরোধী বেঞ্চ থেকে আওয়াজ ওঠে, তাহলে গান্ধীর মূর্তি ফিরিয়ে আনুন। সেখানেই যেমন বিক্ষোভ হত, তেমন হবে।
Advertisement
পুরনো সংসদ ভবনের সামনে ছিল গান্ধী মূর্তি। যার সামনে বিরোধীরা সাধারণত ধর্ণায় বসত। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির সাধের নতুন সংসদ ভবনে সেই মূর্তি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্যত্র। সংসদ চত্বরেই তা রাখা হলেও সাধারণ লোকচক্ষুর বাইরে বলেই বিরোধীদের অভিযোগ। স্রেফ মহাত্মা গান্ধীই নন, সৌন্দর্যায়নের নামে সংসদ চত্বরের যাবতীয় মূর্তিই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্যত্র। অন্যদিকে, রাজ্যের প্রাপ্য নিয়ে লোকসভায় তৃণমূলের দুই সাংসদ মালা রায় এবং দীপক অধিকারীর (দেব) লিখিত প্রশ্নের উত্তরে খাদ্যমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জে বি নিমুবেন যা জানিয়েছেন তা বাংলার প্রতি বঞ্চনার বিষয়টি ফের সামনে এনেছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন ছিল, গণবণ্টন ব্যবস্থায় রাজ্যের বকেয়া। জবাবে মন্ত্রী জানিয়েছেন, খাদ্যে ভতুর্কির ক্ষেত্রে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে একটি পয়সাও দেওয়া হয়নি। তবে চলতি অর্থবর্ষে অক্টোরব মাস পর্যন্ত ১ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।



