Bartaman Logo
২৯ জুলাই, ২০২৬
Advertisement
বর্তমান / রাজ্য

২৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তায় এসএসসি পরীক্ষা

সংশয়ের মাঝেও আশার আলো দেখছেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা। রবিবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি বীরভূমেও ২৮টি কেন্দ্রে নবম ও দশমের এসএসসির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হল।

২৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তায় এসএসসি পরীক্ষা
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: সংশয়ের মাঝেও আশার আলো দেখছেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা। রবিবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি বীরভূমেও ২৮টি কেন্দ্রে  নবম ও দশমের এসএসসির শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হল। এদিন রামপুরহাটে চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ বুকে কালো ব্যাজ লাগিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন। পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার পথে সিউড়িতে দুর্ঘটনার কবলে জখম হন এক পরীক্ষার্থী। সিউড়ি থানার পুলিশ তাঁকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেয়। এদিন জেলার সিউড়ি, বোলপুর ও রামপুরহাট মহকুমায় শান্তিপূর্ণভাবেই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এদিন বোলপুর মহকুমা সংশোধনাগারে বসে পরীক্ষা দিয়েছেন বিচারাধীন এক বন্দি। এসএসসি কর্তৃপক্ষ একজন স্পেশাল ভেনু সুপারভাইজিং অফিসার নিয়োগ করেছিল। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসারে বারংবার আলাপ আলোচনা সহ বিগত দিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তারই ফলশ্রুতিতে এদিন নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। 

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় মোট চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৭২৯ জন। এদিন উপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ৮৮১জন। ৮০২জন অনুপস্থিত চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে ৪৬জনকে আগেই ‘দাগি’ অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ওই পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনওভাবেই পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে না পারেন সেদিকে কড়া নজরদারি ছিল। এদিন সকালে বোনের সঙ্গে স্কুটিতে চেপে সিউড়ির পরীক্ষাকেন্দ্রে আসছিলেন মল্লারপুরের বাসিন্দা সুদীপা দে। বেহাল রাস্তার জেরে তিলপাড়া ব্যারাজ সংলগ্ন এলাকায় তিনি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে জখম হন। সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। সিউড়ি থানার আইসির গাড়িতে চাপিয়ে জখম চাকরিপ্রার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানো হয়। 
রামপুরহাট গার্লস হাইস্কুলে কিছু চাকরিপ্রার্থী বুকে কালো ব্যাজ দেখা যায়। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের পরীক্ষা দিয়ে তাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন। এদিন ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে এক যুবক আচমকাই গোপাল ঠাকুর নিয়ে হাজির হতেই চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষার্থীরা ভিড় জমান। ভালো ফলের আশায় প্রার্থনা করে পুজোর ফুল নিয়ে মাথায় টিপ পরেন। পরীক্ষা শেষে পায়েল দত্ত বলেন, আমি মুর্শিদাবাদের ইন্দ্রাণী হাঁসনামারানি উচ্চ বিদ্যালয়ে ছ’বছর গণিতের শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইলে বিধানসভায় যোগ্যদের জন্য বিল পাশ করে পুর্নবহাল করতে পারেন। এটা আমাদের অনুরোধ। অযোগ্যদের তালিকা যখন প্রকাশ হয়েছে তখন বাকিরা যোগ্য। তাহলে যোগ্যরা কেন আবার পরীক্ষায় বসবে? খুব মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সিউড়ির বাসিন্দা মহেন্দ্রনাথ পাল বলেন, নিজেকে প্রমাণ করার তাগিদে পুনরায় পরীক্ষায় বসা কষ্টকর। তবে পরীক্ষা দিয়েছি। আশা রাখছি এবার অন্তত স্বচ্ছভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষার্থীদের অনেকেই জানান, অ্যাডমিট কার্ডে ইনভিজিলেটারের সইয়ের কোনও জায়গা নেই। তাঁরা যে পরীক্ষা দিলেন তার কোনও প্রমাণ থাকল না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ