রাজকোট: আগ্রাসন মানে কি শুধুই গদার মতো ব্যাট ঘোরানো? চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই সব বলে মারতে যাওয়া? ম্যাচের অবস্থা ও দলের চাহিদাকে পাত্তা না দিয়ে তুলে তুলে শট খেলার চেষ্টা কতটা যুক্তিযুক্ত? ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে ২৬ রানে পরাজয় জন্ম দিচ্ছে এমনই সব প্রশ্নের। সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদবরা যেভাবে ‘হা রে রে রে’ ভঙ্গিতে ব্যাট চালিয়ে দ্রুত ডাগ-আউটের পথ ধরেছেন, তাতে বিরক্ত ক্রিকেটপ্রেমীরা। আবার হার্দিক পান্ডিয়ার স্ট্রাইক রোটেট না করে ক্রমাগত ডট বল খেলা নিয়েও চলছে চর্চা। এতে উল্টোদিকে থাকা ব্যাটসম্যান আরও চাপে পড়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। অর্থাৎ, কেউ অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক, তো কেউ বাড়তি সতর্ক থেকেছেন ব্যাট হাতে। পরিণতি, ঘরের মাঠে পাটা পিচে শিশির পড়তে থাকা অবস্থাতেও ১৭২ রান তাড়া করতে ব্যর্থ বিশ্বজয়ীরা।
Advertisement
ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন বলেছেন, ‘সূর্য কয়েকটা ভালো শট নিয়েই ড্রেসিং-রুমে ফিরে আসছে। বড় রান পাচ্ছে না। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সময় সঠিক বল বাছতে হয় মারার জন্য। প্রত্যেকটা বলকে বাউন্ডারিতে পাঠানো যায় না। রাজকোটে ফর্মে ফেরার দারুণ সুযোগ ছিল সূর্যর সামনে। কিন্তু সেটা হেলায় হারাল ও।’ পার্থিব প্যাটেল, অম্বাতি রায়াডুরা আবার হার্দিকের ইনিংস নিয়ে সরব। আট নম্বরে ধ্রুব জুরেলকে পাঠানো নিয়েও সমালোচিত হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কেনই বা টানা দুটো ম্যাচে মাত্র এক ওভার বল করতে দেওয়া হল ওয়াশিংটন সুন্দরকে, সেই প্রশ্নও উঠছে। গৌতম গম্ভীর কী করছেন, জানতে চাইছেন সমর্থকরা।
চলতি সিরিজে দুরন্ত ফর্মে থাকা বরুণ চক্রবর্তী আবার দায় চাপিয়েছেন পিচের উপর। তাঁর কথায়, ‘ভারতের ব্যাটিংয়ের সময় বাইশ গজ মন্থর হয়ে গিয়েছিল। সে জন্যই ইংল্যান্ডের বোলারদের কাটার ও ঘূর্ণি বল দারুণ কার্যকরী হয়ে ওঠে। ওদের ইনিংসের সময় পিচ কিন্তু এতটা মন্থর ছিল না। আর আদিল রশিদও দুর্দান্ত বোলিং করল।’ বরুণ নিজেও পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর কীর্তি ঢাকা পড়ে গেল পরাজয়ের হতাশায়। রহস্যময় স্পিনার বললেন, ‘এটাই খেলার মজা। পাঁচ উইকেট পেয়েও ম্যাচ হেরেছি। আসলে আমার কাজ হল নিজের সেরাটা দেওয়া। তার বাইরে ভাবি না। ধারাবাহিকতায় জোর দিই সবসময়।’
চলতি সিরিজে দুরন্ত ফর্মে থাকা বরুণ চক্রবর্তী আবার দায় চাপিয়েছেন পিচের উপর। তাঁর কথায়, ‘ভারতের ব্যাটিংয়ের সময় বাইশ গজ মন্থর হয়ে গিয়েছিল। সে জন্যই ইংল্যান্ডের বোলারদের কাটার ও ঘূর্ণি বল দারুণ কার্যকরী হয়ে ওঠে। ওদের ইনিংসের সময় পিচ কিন্তু এতটা মন্থর ছিল না। আর আদিল রশিদও দুর্দান্ত বোলিং করল।’ বরুণ নিজেও পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর কীর্তি ঢাকা পড়ে গেল পরাজয়ের হতাশায়। রহস্যময় স্পিনার বললেন, ‘এটাই খেলার মজা। পাঁচ উইকেট পেয়েও ম্যাচ হেরেছি। আসলে আমার কাজ হল নিজের সেরাটা দেওয়া। তার বাইরে ভাবি না। ধারাবাহিকতায় জোর দিই সবসময়।’



