সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: সরস্বতী পুজোয় কালদিঘি পার্কে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। টিকিট বিক্রি বাবদই প্রায় ২ লক্ষ টাকা লক্ষ্মীলাভ হয়েছে গঙ্গারামপুর পুরসভার। সেই টাকায় পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ নজর দিচ্ছেন পুরকর্তারা।
Advertisement
রবিবার ও সোমবার গঙ্গারামপুর পুরসভার কালদিঘি পার্কে ভিড় করেছিলেন তরুণ তরুণীরা। বসন্তপঞ্চমী তিথিতে মনের মানুষকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন অনেকেই। পার্কের প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ উপভোগ করতে পরিবার নিয়েও অনেকে পার্কে আসেন। বেলা গড়াতেই ক্রমশ ভিড় বাড়তে থাকে। গঙ্গারামপুর কালদিঘি পার্কের প্রবেশ মূল্য পাঁচটাকা। পার্কের ভিতরে থাকা বুলেট ট্রেন ও কালদিঘিতে একান্তে বোটিং করার জন্য আলাদাভাবে চার্জ করে পুরসভা। বুলেট ট্রেনের টিকিট ৪০ টাকা ও বোটিংয়ের টিকিট ৩০ টাকা। সরস্বতী পুজোর দিনে পুরসভা সব মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ টাকার টিকিট বিক্রি করেছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। একদিনেই পুরসভার আয় যদি ২ লক্ষ টাকা হয় তবে পার্কের পরিকাঠামো আরও উন্নত করলে পুরসভার আয় বাড়বেই বলে মনে করছে পুর কর্তৃপক্ষ।
গঙ্গারামপুর পার্ককে শহর ও গঙ্গারামপুর মহকুমার তরুণ প্রজন্মের কাছে মনোরঞ্জনের একটি মাধ্যম হয়ে উঠছে। সামনেই ভালোবাসার সপ্তাহ। ভ্যালেনটাইন্স ডে-র দিন সরস্বতী পুজোর রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে চর্চা চলছে। পুরসভা কর্তৃপক্ষ গঙ্গারামপুর কালদিঘি পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামীদিনে কালদিঘির উপর দিয়ে প্রায় ৩ কিমিজুড়ে তৈরি হবে রোপওয়ে। জলে ভাসমান গ্লোবের মাধ্যমে শিশুরা মনোরঞ্জন করতে পারবে। সেজন্য ইতিমধ্যেই ডিপিআর তৈরির উপর জোর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এই ব্যাপারে গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন, জেলার মধ্যে কালদিঘি পার্ক সাজানো গোছানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এটি জেলা তথা গৌড়বঙ্গের পর্যটকদের কাছে একটি মনোরঞ্জনের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। সরস্বতী পুজোতে যেভাবে ভিড় হয়েছিল, তা প্রমাণ করে এই পার্ক নতুন প্রজন্মের কাছে প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে। তবে সকলের জন্য আমরা আরও ভালো পরিষেবা দিতে চাই। সেজন্য একঝাঁক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে আবেদন জানিয়েছি। প্রথম পর্যায়ে কাজের টেন্ডার খুব তাড়াতাড়ি হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বুলেট ট্রেন ও বোটিংয়ের পরিকাঠামো উন্নয়ন হবে। রোপওয়ে তৈরির বিষয় আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা ডিপিআর তৈরি করছেন। আমরা সেটা পুরদপ্তরে জমা করব। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরসভার নিজস্ব আয় কি করে বাড়বে তার উপর কাজ করেছি। আগামীতে পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়ন করে নিজস্ব যায় বাড়িয়ে শহরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নের কাজ করবে পুরসভা।
শহরের বাসিন্দা অরিন্দম সরকারের মতো অনেকে পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করেন। তিনি বলেন, আমাদের জেলায় পার্কের যতটুকু মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা কালদীঘি পার্কেই আছে। তার জন্যই এত ভিড় হয়। পার্কের ভেতরে ক্যাফেটেরিয়া ও সান্ধ্যাকালীন সময় নিরাপত্তার সবদিক সুনিশ্চিত করে খোলার ব্যবস্থা করলে এটি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।
গঙ্গারামপুর পার্ককে শহর ও গঙ্গারামপুর মহকুমার তরুণ প্রজন্মের কাছে মনোরঞ্জনের একটি মাধ্যম হয়ে উঠছে। সামনেই ভালোবাসার সপ্তাহ। ভ্যালেনটাইন্স ডে-র দিন সরস্বতী পুজোর রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে চর্চা চলছে। পুরসভা কর্তৃপক্ষ গঙ্গারামপুর কালদিঘি পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামীদিনে কালদিঘির উপর দিয়ে প্রায় ৩ কিমিজুড়ে তৈরি হবে রোপওয়ে। জলে ভাসমান গ্লোবের মাধ্যমে শিশুরা মনোরঞ্জন করতে পারবে। সেজন্য ইতিমধ্যেই ডিপিআর তৈরির উপর জোর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এই ব্যাপারে গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন, জেলার মধ্যে কালদিঘি পার্ক সাজানো গোছানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এটি জেলা তথা গৌড়বঙ্গের পর্যটকদের কাছে একটি মনোরঞ্জনের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। সরস্বতী পুজোতে যেভাবে ভিড় হয়েছিল, তা প্রমাণ করে এই পার্ক নতুন প্রজন্মের কাছে প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে। তবে সকলের জন্য আমরা আরও ভালো পরিষেবা দিতে চাই। সেজন্য একঝাঁক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে আবেদন জানিয়েছি। প্রথম পর্যায়ে কাজের টেন্ডার খুব তাড়াতাড়ি হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বুলেট ট্রেন ও বোটিংয়ের পরিকাঠামো উন্নয়ন হবে। রোপওয়ে তৈরির বিষয় আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা ডিপিআর তৈরি করছেন। আমরা সেটা পুরদপ্তরে জমা করব। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরসভার নিজস্ব আয় কি করে বাড়বে তার উপর কাজ করেছি। আগামীতে পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়ন করে নিজস্ব যায় বাড়িয়ে শহরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নের কাজ করবে পুরসভা।
শহরের বাসিন্দা অরিন্দম সরকারের মতো অনেকে পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করেন। তিনি বলেন, আমাদের জেলায় পার্কের যতটুকু মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা কালদীঘি পার্কেই আছে। তার জন্যই এত ভিড় হয়। পার্কের ভেতরে ক্যাফেটেরিয়া ও সান্ধ্যাকালীন সময় নিরাপত্তার সবদিক সুনিশ্চিত করে খোলার ব্যবস্থা করলে এটি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।



