নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: আলুচাষের মরশুমে সারের দামে রাশ টানতে পরিবহণ খরচ কাটছাঁট করার পদক্ষেপ নিল জেলা প্রশাসন। তারা মালগাড়ির রেক ব্যান্ডেলের থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে রেলের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন প্রশাসনের কর্তারা। রেল ইতিমধ্যেই এব্যাপারে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। এর ফলে হুগলির বিস্তীর্ণ অংশে সারের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ সুবিধা পাবে তারকেশ্বর থেকে আরামবাগ মহকুমার মানুষ। এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এবার আলুচাষের মরশুম কিছুটা পিছিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের এহেন উদ্যোগে কৃষক মহল্লায় খুশির হাওয়া।
Advertisement
পাশাপাশি, সারের কালোবাজারি রুখতে ও আলুবীজের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ নজরদারি দল গড়েছে জেলার কৃষিদপ্তর। নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ওই বিশেষ দল বিভিন্ন ব্লকে নজরদারি শুরু করেছে। কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই একাধিক সার বিক্রেতাকে সতর্ক করা হয়েছে। কৃষিদপ্তরের এই পদক্ষেপে খুশি কৃষকরা। হুগলি জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মদনমোহন কোলে বলেন, সারের রেক ব্যান্ডেল পর্যন্ত আসত। তারপর সড়কপথে তা যেত ধনেখালির প্রত্যন্ত এলাকা, তারকেশ্বর থেকে আরামবাগের শেষপ্রান্ত পর্যন্ত। এতে সারের দাম কিছুটা বাড়ত। কারণ, ব্যান্ডেল থেকে পরিবহণের খরচ সারের দামের সঙ্গে জুড়ে দেন ব্যবসায়ীরা। জেলা প্রশাসন ও কৃষিদপ্তরের পরিকল্পনায় এবার রেলের রেককে তারকেশ্বর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করায় পরিবহণ খরচ অনেকটাই কমে যাবে। সেইসঙ্গে সারের কালোবাজারি রুখতে ও সরকারি দামে সার বিক্রি নিশ্চিত করতে আমরা একাধিক নজরদারি কমিটি গড়েছি। ওই কমিটি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। আলুবীজের গুণগত মানের দিকেও ওই কমিটি নজর রাখবে। সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, সারের দামবৃদ্ধি, কালোবাজারি কৃষকদের বিপন্ন করে। আমাদের সরকার কৃষকদের পাশে থাকতে সব সময় চেষ্টা করে। প্রশাসনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপও কৃষকদরদী বার্তাই দিচ্ছে।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত জেলায় সেভাবে আলুবীজ বোনা হয়নি। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কেন্দ্র করেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাতে আলুর মরশুম কিছুটা পিছিয়ে যাবে। তবে তা নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই সারের দাম কমাতে তারকেশ্বর পর্যন্ত রেলের রেক নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। অভিযোগ, ব্যান্ডেল থেকে সার নিয়ে গিয়ে তারকেশ্বর, ধনেখালি বা আরামবাগ মহকুমায় সরবরাহ করতে বাড়তি খরচের দোহাই দেওয়া হতো। ফলে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হতো। এ নিয়ে রেলকর্তাদের কাছে একধিকবার প্রস্তাব পাঠানো হয়। প্রশাসনের লাগাতার প্রয়াসের ফলে শেষ পর্যন্ত ব্যান্ডেল থেকে সারের রেক তারকেশ্বর পর্যন্ত পাঠানোর পরিকল্পনায় সরকারি সিলমোহর পড়েছে। জেলার এক কৃষিকর্তার দাবি, ওই পদক্ষেপ জেলার চাষাবাদের নিরিখে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত জেলায় সেভাবে আলুবীজ বোনা হয়নি। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কেন্দ্র করেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাতে আলুর মরশুম কিছুটা পিছিয়ে যাবে। তবে তা নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই সারের দাম কমাতে তারকেশ্বর পর্যন্ত রেলের রেক নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। অভিযোগ, ব্যান্ডেল থেকে সার নিয়ে গিয়ে তারকেশ্বর, ধনেখালি বা আরামবাগ মহকুমায় সরবরাহ করতে বাড়তি খরচের দোহাই দেওয়া হতো। ফলে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হতো। এ নিয়ে রেলকর্তাদের কাছে একধিকবার প্রস্তাব পাঠানো হয়। প্রশাসনের লাগাতার প্রয়াসের ফলে শেষ পর্যন্ত ব্যান্ডেল থেকে সারের রেক তারকেশ্বর পর্যন্ত পাঠানোর পরিকল্পনায় সরকারি সিলমোহর পড়েছে। জেলার এক কৃষিকর্তার দাবি, ওই পদক্ষেপ জেলার চাষাবাদের নিরিখে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।



