সংবাদদাতা, বজবজ: বিদ্যুতের পোল এখনও সরানো যায়নি। এই কারণে ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের আশুতি ১-এর খানবেড়িয়া থেকে মহিষগোট পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার নতুন রাস্তা তৈরির কাজ থমকে। এর ফলে, জোকা সংলগ্ন খালপাড় থেকে খানবেড়িয়া পর্যন্ত ভাঙা রাস্তা ঠিক করা হলেও, এরপর মহিষগোট পর্যন্ত রাস্তায় যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডব্লু বি এস আর ডি এ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু পোল সরালে কাজটা হয়ে যেত। কিন্ত তা হচ্ছে না। ফলে দ্রুত কাজ করেও এখন বসে থাকতে হচ্ছে।
Advertisement
জোকা সংলগ্ন খালপাড় থেকে খানবেড়িয়ার পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটারের বেশি রাস্তা কয়েক মাস আগেও ভাঙাচোরা ছিল। কিন্ত এখন তার ভোল পাল্টেছে। জোকা খালপাড়ের দিক থেকে শুরুর মুখে হাফ কিলোমিটার পেভার ব্লক দিয়ে রাস্তা হয়েছে। তারপর থেকে পিচের মসৃণ ঝকঝকে রাস্তা। এরপর খানবেড়িয়ার ট্রেকার ও অটো স্ট্যান্ড থেকে মহিষগোট পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তা। এটা আগে যাতায়াতের যোগ্যই ছিল না। জঙ্গল আর বাঁশঝাড় এবং আগাছায় ঢাকা সরু মেঠোপথ ছিল। সেটা এখন নতুন করে পিচের রাস্তা করা হয়েছে। ফলে খানবেড়িয়া দিয়ে মহিষগোট হয়ে আশুতি এক গ্রাম পঞ্চায়েতের দিকে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, এখন ওখানে রাস্তার মাঝখানে ছ’টি বিদ্যুতের পোল আছে। সেগুলি সরাতে হবে। ওইসব পোলের জন্য রাস্তার কাজ করা যাচ্ছে না। এরপর আরও দু’টি কালভার্ট করতে হবে। বিদ্যুতের পোল সরলে কালভার্টও হয়ে যাবে। কিন্ত পোলের কারণে কাজ থমকে রয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদ্যুতের ছ’টি পোল সরাতে প্রতিটির জন্য কুড়ি হাজার টাকা চেয়েছে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি। সব মিলিয়ে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকার ধাক্কা। সমস্যা হল, এই টাকার সংস্থান কোথা থেকে হবে, তা নিয়ে দোলাচলে পঞ্চায়েত দপ্তরের অধীন ডব্লু বি এস আর ডি এ। কারণ তহবিল নেই। তাই এনিয়ে দর কষাকষি চলছে উভয় দপ্তরের মধ্যে। কিন্ত কোনও সমাধান সূত্র না বের হওয়ার জন্য রাস্তার কাজ অনেকটা এগিয়েও থমকে।



