সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেও জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়। খুদে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের একথা বোঝাতে এখন পালা করে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন আমতা পশ্চিম সার্কেলের মেনকা স্মৃতি বিদ্যামন্দির নিম্ন বুনিয়াদির শিক্ষকরা। কয়েক বছর ধরেই রুটিন মেনে চলছে বাড়ি বাড়ি পরিক্রমা। এর সুফলও মিলছে। যার জেরে গত কয়েক বছরে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৫০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৭৪-এ দাঁড়িয়েছে। স্কুলের আশপাশে তিনটি সরকারি ও দু’টি ইংরেজি মাধ্যমের বেসরকারি স্কুলের সঙ্গে পাল্লা দিতে পাড়ায় পাড়ায় যাওয়ার এই অভিনব চিন্তা আখেরে শ্রীবৃদ্ধি ঘটিয়েছে মেনকা স্মৃতি বিদ্যামন্দিরের। শিক্ষকদের এই উদ্যোগে খুশি অভিভাবকরা।
Advertisement
স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, ১৯৬০ সালে গুটিকয়েক পড়ুয়াকে নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই নিম্ন বুনিয়াদি স্কুল। মূলত সমাজের পিছিয়ে থাকা অংশের শিশুদের জন্যই এটি তৈরি হয়েছিল। সূত্রের খবর, একটা সময় স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা দেড়শোর কাছাকাছি দাঁড়ায়। যা শিক্ষকদের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর তাঁরা ঠিক করেন, স্কুলে পড়ুয়া টানতে পাড়ায় পাড়ায় অভিভাবকদের কাছে যাবেন। সরকারি স্কুলে ছেলেমেয়েদের পাঠানোর বিষয়টি তাঁদের বোঝাবেন। সেইমতো ডিসেম্বর পড়তেই এবার এই কাজ শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। শিক্ষক-শিক্ষিকারা সময় বের করে স্কুল সংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে পৌঁছে যাচ্ছেন। শিশুদের শিক্ষার গুরুত্ব কতটা, সরকারি স্কুলে কী কী সুবিধা আছে, তা অভিভাবকদের কাছে ব্যাখ্যা করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকরা।
স্কুলের সহ শিক্ষক শৌভিক চৌধুরী বলেন, প্রধান শিক্ষক গোলাম ইয়াজদানি এ ব্যাপারে মূল উদ্যোগ নিয়েছেন। সব শিশুকে সরকারি শিক্ষার আঙিনায় নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য। এটি আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, এবার ইতিমধ্যেই ৪০ জন নতুন পড়ুয়া স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন জানিয়েছে।
স্কুলের সহ শিক্ষক শৌভিক চৌধুরী বলেন, প্রধান শিক্ষক গোলাম ইয়াজদানি এ ব্যাপারে মূল উদ্যোগ নিয়েছেন। সব শিশুকে সরকারি শিক্ষার আঙিনায় নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য। এটি আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, এবার ইতিমধ্যেই ৪০ জন নতুন পড়ুয়া স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন জানিয়েছে।



