Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

সরকারি প্রতিষ্ঠানে সঙ্কটে হিন্দুরা, দাবি ঐক্য পরিষদের

সরকারি প্রতিষ্ঠানে সঙ্কটে হিন্দুরা, দাবি ঐক্য পরিষদের
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
ঢাকা: বাংলাদেশে হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে সংখ্যালঘুদের বারবার নিশানা করা হয়েছে। খুন, বাড়িঘর ভাঙচুর, মন্দির-প্রার্থনাস্থলে হামলা কিছুই বাদ যায়নি। ইউনুস প্রশাসনের আমলে এবার তাদের সরকারি চাকরিতেও কোপ পড়ছে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন ধর্মীয় বৈষম্যবিরোধী মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। এদিকে, দেশের ধর্ম উপদেষ্টার খালিদ হোসেনের সাংবাদিক বৈঠকে প্রবেশের অনুমতি পাননি মহিলা সাংবাদিকরা। এই অভিযোগ ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তা নিয়ে সরব হয়েছেন সাংবদিক এমি জান্নাত। তাঁর প্রশ্ন,  ধর্ম উপদেষ্টাকে কি শুধু ছেলেদের সেবার কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে? তাহলে তা স্পষ্ট করে দেওয়া হোক। এদিন একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সেখানে তারা জানিয়েছে, একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। এখানেই শেষ নয়, ৪০তম ক্যাডেট সাব ইনসপেক্টর পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ৮০৪ জনের প্রশিক্ষণ চলছিল। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তুলে তাদের মধ্যে ধাপে ধাপে ৩২১জনকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে। এরমধ্যে ১০৩ জনই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। ছাঁটাইয়ের সময় তাঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলেও দাবি ওই সংগঠনের। এছাড়া, ৫৫ জন মহিলা অফিসারের মধ্যে ৩৩ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৬ জনই সংখ্যালঘু। ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন সংস্থার সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এছাড়া, বিসিএস উত্তীর্ণ হলেও বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ২২৭ জন ছেঁটে ফেলেছে প্রশাসন। তারমধ্যে ৩৬ শতাংশই সংখ্যালঘু। ওই সংগঠনের দবি, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হাইকোর্টে ২৩ জন বিচারপতি নিয়োগ করাহেয়েছে। তাদের মধ্যে মাত্র একজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। এইসব তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দাবি, বিচার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সংখ্যালঘুদের ছেঁটে ফেলার তৎপরতা শুরু হয়েছে। যা উদ্বেগজনক।  
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ