সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুরে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা চালুর দাবিতে মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ কৃষকরা। ইসলামপুর কৃষক বাজারে সরকারি ধানক্রয় কেন্দ্রটি (সিপিসি) কিছু দিন আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এতেই সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। তাদের একাংশ এখন সরকারি মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। ধানৈ বিক্রির জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে বিক্রির তারিখও নিয়ে রেখেছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ধান কেনা বন্ধ করায় কৃষকরা বিপদে পড়েছেন। তাই সরকারি সহায়ক মূল্যে ফের ধান কেনা চালুর দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা।
Advertisement
মঙ্গলবার কৃষকরা ইসলামপুর মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে জমায়েত হন। তাদের সঙ্গে স্থানীয় কংগ্রেস নেতা হারুন রসিদও ছিলেন। হারুন সহ দুই প্রতিনিধি দল মহকুমা শাসক প্রিয়া যাদবের চেম্বারে গিয়ে কৃষকদের সমস্যা তুলে ধরেন। বেরিয়ে এসে হারুন সাহেব বলেন, মহকুমা শাসক বিষয়টি জানতেন না। আমাদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। সিপিসি খোলার দাবি জানিয়ে মহকুমা শাসকের অফিস ও বিডিও অফিস ও খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরে লিখিত আবেদনও করা হয়েছে।
যদিও গোটা বিষয় নিয়ে মহকুমা শাসক প্রিয়া যাদবের প্রতিক্রিয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটস্অ্যাপে ম্যাসেজ করা হলে তিনি জানান, এই বিষয়ে মহকুমা কন্ট্রোলার ফুড অ্যান্ড সাপলাইয়ের কাছে তথ্য চাইতে পারেন। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের মহকুমা কন্ট্রোলার মুসির আহমেদ বলেন, টার্গেট পূরণ হয়েগেছে। নতুন করে টার্গেট এলে ফের কেনা হবে।
তবে ধান বিক্রি বন্ধ থাকায় শিয়ালতোর এলাকার পজিরুদ্দিন নামে এক কৃষক বলেন, সরকার ধান কিনছে না। ২২ জানুয়ারি আমার ধান কেনার তারিখ স্থির ছিল। কিন্তু তার আগেই ধান কেনা বন্ধ করে দিয়েছে।
ফলে ধান বিক্রি করতে পারিনি। সুজালির চাষি মহম্মদ ইশাহাক বলেন, ধান কিনবে না তো আমাদের শিডিউল তারিখ কেন দিল? সিপিসিতে ধান নিয়ে এসে ফেরত নিয়ে যেতে ভাড়া বাবদ তিন হাজার টাকার ক্ষতি। আমার ৩০ কুইন্টাল ধান যাতে সরকারি মূল্যে বিক্রি করতে পারি সেটাই আমার দাবি।
যদিও গোটা বিষয় নিয়ে মহকুমা শাসক প্রিয়া যাদবের প্রতিক্রিয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটস্অ্যাপে ম্যাসেজ করা হলে তিনি জানান, এই বিষয়ে মহকুমা কন্ট্রোলার ফুড অ্যান্ড সাপলাইয়ের কাছে তথ্য চাইতে পারেন। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের মহকুমা কন্ট্রোলার মুসির আহমেদ বলেন, টার্গেট পূরণ হয়েগেছে। নতুন করে টার্গেট এলে ফের কেনা হবে।
তবে ধান বিক্রি বন্ধ থাকায় শিয়ালতোর এলাকার পজিরুদ্দিন নামে এক কৃষক বলেন, সরকার ধান কিনছে না। ২২ জানুয়ারি আমার ধান কেনার তারিখ স্থির ছিল। কিন্তু তার আগেই ধান কেনা বন্ধ করে দিয়েছে।
ফলে ধান বিক্রি করতে পারিনি। সুজালির চাষি মহম্মদ ইশাহাক বলেন, ধান কিনবে না তো আমাদের শিডিউল তারিখ কেন দিল? সিপিসিতে ধান নিয়ে এসে ফেরত নিয়ে যেতে ভাড়া বাবদ তিন হাজার টাকার ক্ষতি। আমার ৩০ কুইন্টাল ধান যাতে সরকারি মূল্যে বিক্রি করতে পারি সেটাই আমার দাবি।



