Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা ও  পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে সমীক্ষা

সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা ও  পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে সমীক্ষা
  • ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: কেন্দ্রের কায়াকল্প বা এনকোয়াশ মূল্যায়নে রাজ্যের বিভিন্ন স্তরের হাসপাতালগুলি উন্নত মানের রোগী পরিষেবায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। এবার সেই ধাঁচে হাওড়া জেলার বিভিন্ন হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে সমীক্ষা শুরু করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। ডিসেম্বরের শেষে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হবে রাজ্যের কাছে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত হবে ষোড়শ অর্থ কমিশনের টাকা কোন হাসপাতালে কতটা বরাদ্দ করা হবে।
Advertisement
প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র, স্টেট জেনারেল হাসপাতাল থেকে জেলা হাসপাতাল— জেলার বিভিন্ন স্তরের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামো ও পরিষেবা কী অবস্থায় রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে নভেম্বর মাসে বিশেষ সমীক্ষা শুরু করেছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত ইন্ডিয়ান পাবলিক হেলথ স্ট্যান্ডার্ড বা আইপিএইচএসের মানদণ্ড অনুযায়ী হাসপাতালগুলিতে এই সমীক্ষা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন স্তরের হাসপাতালে পরিষেবার ক্ষেত্রে পৃথক নিয়মবিধি রয়েছে। অর্থাৎ ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি সর্বোচ্চ পরিষেবা প্রদান করছে কি না, কিংবা জেলা হাসপাতাল নির্দিষ্ট হেলথ স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করছে কি না, সবটাই নম্বরের ভিত্তিতে সমীক্ষা করা হচ্ছে। এই সমীক্ষায় হাসপাতালের জেনারেল ক্লিনিক, মেটারনিটি হেলথ, সদ্যোজাত ও শিশুর যত্ন, ফ্যামিলি প্ল্যানিং, ইমার্জেন্সি সার্ভিস ছাড়াও পরিচ্ছন্নতা, লন্ড্রি সার্ভিস, কিচেন, ফার্মাসি, ল্যাব থেকে শুরু করে লেবার রুম, আউটডোর পরিষেবা সহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমীক্ষার জন্য ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নিয়ে বেশ কয়েকটি দল গঠন করা হয়েছে। সমীক্ষা যাতে স্বচ্ছ হয়, সেজন্য এক ব্লকের দলকে অন্য ব্লকে পাঠানো হচ্ছে। জেলা হাসপাতালের ক্ষেত্রে পরিষেবা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে ১০ জনের বিশেষজ্ঞ দল সমীক্ষা চালিয়েছে।
হাওড়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ কিশলয় দত্ত বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য, ষোড়শ অর্থ কমিশনের টাকা স্বাস্থ্যখাতে সঠিকভাবে ব্যবহার করা। এই সমীক্ষার মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে, কোন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ছাদ মেরামতির প্রয়োজন, আবার কোন গ্রামীণ হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ফলে সর্বস্তরের হাসপাতালে সঠিকভাবে অর্থ বরাদ্দ করা সম্ভব হবে।’ স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সমীক্ষার প্রাথমিক লক্ষ্য, জেলার ৪৩টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র বিশেষ করে আমতা, উদয়নারায়ণপুরের মতো ব্লকে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে উন্নত করা। আগামী ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে ব্লক স্তরে সমীক্ষার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। ডিসেম্বরের শেষে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হবে স্বাস্থ্যভবনে।
সম্পর্কিত সংবাদ