Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তি: ধৃত মা, মেয়ের বিরুদ্ধেও মামলা

ভারতে থেকে পাকিস্তানে তথ্য পাচার। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করার অভিযোগে গত সোমবার উত্তরপ্রদেশের মিরাট থেকে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তি: ধৃত মা, মেয়ের বিরুদ্ধেও মামলা
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মিরাট: ভারতে থেকে পাকিস্তানে তথ্য পাচার। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করার অভিযোগে গত সোমবার উত্তরপ্রদেশের মিরাট থেকে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম সাবা ফারহাত। সাবার মেয়ে আইমান ফারহাতের নামেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গিয়েছে,ভারতে বসবাসের জন্য তাঁদের কাছে কোনো বৈধ নাগরিকত্বই নেই।

Advertisement

সম্প্রতি রুকসানা নামে দিল্লি গেট থানা এলাকার এক বাসিন্দা সাবার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানান। সেই সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে মিরাটের জালি কোঠি এলাকায় নাদির আলি বিল্ডিংয়ে থাকেন সাবা। কিন্তু ১৯৮৮ সালে তিনি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেখানে ফারহাত মাসুদ নামে এক পাকিস্তানিকে বিয়ে করেন। ১৯৯৩ সালে পাকিস্তানেই তাঁদের কন্যা আইমানের জন্ম হয়। এরপর ভারতে চলে আসেন সাবা। মেয়েকে স্থানীয় এক স্কুলে ভরতি করেন। এখনও তাঁদের কাছে পাকিস্তানের পাসপোর্ট রয়েছে। তাঁরা কোনোদিনই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি। অভিযোগ, মেয়ের ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য নথি জাল করেছিলেন সাবা। নিজের নামেও দু’টি ভিন্ন ভিন্ন নথি বানিয়ে ফেলেন। আসলে মা ও মেয়ে মিলে আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করে চলেছেন। তদন্তে নেমে সাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এরই মাঝে আরও একটি ঘটনা সামনে এসেছে। ১৭ বছর উত্তরপ্রদেশে জেল খাটার পর সোমবার রাতে দেশে ফিরল পাক গুপ্তচর ইকবাল ভাট্টি ওরফে দেবরাজ শেহগল। এদিন ওয়াঘা সীমান্তে কড়া নিরাপত্তায় পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। নিজেকে দেবরাজ শেহগল পরিচয় দিয়ে সাহারানপুরের হকিকতনগরের এক ভাড়া বাড়িতে থাকত ইকবাল। ধীরে ধীরে এলাকায় নিজের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। নথি জাল করে ভোটার আইডি, প্যান কার্ড, রেশন কার্ড জোগাড় করেছিল। ব্যাংকে অ্যাকাউন্টও খুলেছিল। ২০০৮ সালে সামরিক নথি ও মানচিত্র সহ ইকবালকে গ্রেপ্তার করে পাঞ্জাব পুলিশ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ