নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লালবাজারে সেই মুড়ি- তেলেভাজার আসর এখন অতীত! তার বদলে প্রতি সপ্তাহে দু’দিন করে ডিভিশনের ডিসিদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন কলকাতার নতুন পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা। লালবাজারের এক সূত্র জানাচ্ছে, প্রতি সপ্তাহের সোমবার ও শুক্রবার বৈঠকের দিন ধার্য হয়েছে। এই দিনগুলিতে লালবাজার কনফারেন্স রুম ওয়ানে বিকেলে পাঁচটা নাগাদ নিয়ম করে ডিসিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন নতুন সিপি।
Advertisement
তবে এই নির্ধারিত দিনগুলিতে শহরে বড় কোনও সভা-সমাবেশ থাকলে অবশ্য বৈঠক হচ্ছে না, এমনটাও হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলকাতা পুলিসের এক কর্তা জানাচ্ছেন, ‘এখন রাজ্যে উৎসবের মরসুম চলছে। উৎসব পর্বে পুলিস প্রশাসনের কি কি করণীয় তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তেমনিই আর জি কর পরবর্তী সময়ে একটি বৈঠকে হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও কাজের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি কোনও বিষয়ে সরকারি নির্দেশিকা থাকলে, বৈঠকে তাও ডিসিদের জানিয়ে দিচ্ছেন সিপি।’
আবার ডিভিশন চালাতে ডিসিদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, বৈঠকে নিয়ম করে জানতে চাইছেন সিপি। পাশাপাশি লালবাজার থেকে ডিসিদের কোনও সাহায্য প্রয়োজন রয়েছে কি না তাও জানতে চাইছেন তিনি। ফলে লালবাজারে সিপির বৈঠকে যোগ দিতে আসার আগে ডিসিরা তাঁর ওসিদের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, বিনীত গোয়েল কলকাতার সিপি থাকার সময়ে রোজ বিকেল সাড় পাঁচটা থেকে ছ’টার মধ্যে লালবাজারে যুগ্ম কমিশনার থেকে অতিরিক্ত পুলিস কমিশনারদের মতো পদস্থ কর্তাদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক করতেন। এই বৈঠকের মূল আকর্ষণ ছিল মুড়ি-তেলেভাজা। ক্ষেত্রে বিশেষে মুড়ি, চানাচুর থেকে সিঙ্গারা! মুড়ি –তেলেভাজা সহযোগে দিনের কাজের খতিয়ান নিতেন তৎকালীন সিপি বিনীত গোয়েল। এই বৈঠক অবশ্য পুলিসের নিচুতলার গোয়েন্দা মহলে ‘মুড়ি-প্যারেড’ নামেও পরিচিত ছিল। নতুন সিপির জামনায় শুধু ডিসি নয়, ক্ষেত্র বিশেষে এই বৈঠকে অতিরিক্ত কমিশনার , যুগ্ম কমিশনাররাও ডাক পাচ্ছেন। তবে নতুন সিপির আমলে ডিসিদের বৈঠকে মুড়ি-তেলেভাজার নাকি ঠাঁই হয়নি!
আবার ডিভিশন চালাতে ডিসিদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, বৈঠকে নিয়ম করে জানতে চাইছেন সিপি। পাশাপাশি লালবাজার থেকে ডিসিদের কোনও সাহায্য প্রয়োজন রয়েছে কি না তাও জানতে চাইছেন তিনি। ফলে লালবাজারে সিপির বৈঠকে যোগ দিতে আসার আগে ডিসিরা তাঁর ওসিদের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, বিনীত গোয়েল কলকাতার সিপি থাকার সময়ে রোজ বিকেল সাড় পাঁচটা থেকে ছ’টার মধ্যে লালবাজারে যুগ্ম কমিশনার থেকে অতিরিক্ত পুলিস কমিশনারদের মতো পদস্থ কর্তাদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক করতেন। এই বৈঠকের মূল আকর্ষণ ছিল মুড়ি-তেলেভাজা। ক্ষেত্রে বিশেষে মুড়ি, চানাচুর থেকে সিঙ্গারা! মুড়ি –তেলেভাজা সহযোগে দিনের কাজের খতিয়ান নিতেন তৎকালীন সিপি বিনীত গোয়েল। এই বৈঠক অবশ্য পুলিসের নিচুতলার গোয়েন্দা মহলে ‘মুড়ি-প্যারেড’ নামেও পরিচিত ছিল। নতুন সিপির জামনায় শুধু ডিসি নয়, ক্ষেত্র বিশেষে এই বৈঠকে অতিরিক্ত কমিশনার , যুগ্ম কমিশনাররাও ডাক পাচ্ছেন। তবে নতুন সিপির আমলে ডিসিদের বৈঠকে মুড়ি-তেলেভাজার নাকি ঠাঁই হয়নি!



