সংবাদদাতা, চাঁচল: চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং জোন থেকে উদ্ধার হল একটি গোখরো। বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বাইরে গোখরো উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়ায়। সাড়ে পাঁচ ফুট লম্বা গোখরোটিকে উদ্ধার করার পর সেটিকে আদিনা ফরেস্টে ছাড়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাঁচলের রেঞ্জার দুলাল সরকার।
Advertisement
এদিন সকালে অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং জোনের পাশে পরিত্যক্ত জায়গায় সাপটিকে দেখতে পান হাসপাতালের কয়েকজন কর্মী। তাঁরাই বনদপ্তরে খবর দেন। তার আগেই চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের এক কর্তা তথা সর্পপ্রেমী সৌম্যদীপ বসু সাপটিকে ধরে ফেলেন।
হাসপাতাল চত্বরে গোখরো সাপ দেখে মানুষজন আতঙ্কে ছিলেন। বনকর্মীদের আসতে দেরি হওয়ায় সৌম্যদীপ নিজেই সাপ উদ্ধারের কাজে হাত লাগান। সৌম্যদীপ জানান, এই প্রজাতির সাপ সাধারণত নির্জন এলাকাতেই থাকতে পছন্দ করে। যেখান থেকে সেটি উদ্ধার হয়েছে, সেই এলাকাটিও নির্জন ও ঝোঁপ জঙ্গল রয়েছে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সহকারী সুপার ত্রিদিব মাইতি বলেন, আতঙ্কের কিছু নেই। সাপটি ধরা পড়েছে। পার্কিং জোনের ওই জায়গায় রাতে আলো জ্বলে।
সর্পপ্রেমী সৌম্যদীপ জানান, এতদিনে তিনি প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি সাপ ধরে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছেন। কখনও আবার বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছেন। মানুষের সুবিধার্থে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খুলেছেন তিনি।
হাসপাতাল চত্বরে গোখরো সাপ দেখে মানুষজন আতঙ্কে ছিলেন। বনকর্মীদের আসতে দেরি হওয়ায় সৌম্যদীপ নিজেই সাপ উদ্ধারের কাজে হাত লাগান। সৌম্যদীপ জানান, এই প্রজাতির সাপ সাধারণত নির্জন এলাকাতেই থাকতে পছন্দ করে। যেখান থেকে সেটি উদ্ধার হয়েছে, সেই এলাকাটিও নির্জন ও ঝোঁপ জঙ্গল রয়েছে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সহকারী সুপার ত্রিদিব মাইতি বলেন, আতঙ্কের কিছু নেই। সাপটি ধরা পড়েছে। পার্কিং জোনের ওই জায়গায় রাতে আলো জ্বলে।
সর্পপ্রেমী সৌম্যদীপ জানান, এতদিনে তিনি প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি সাপ ধরে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছেন। কখনও আবার বনদপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছেন। মানুষের সুবিধার্থে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও খুলেছেন তিনি।



