নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করল বিধানসভার সচিবালয়। ঋতব্রতপন্থী ১০ জন বিধায়ককে চিঠি পাঠানো হয়েছে বিধানসভার সচিবালয় থেকে। সাতদিনের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে তাঁদের।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করল বিধানসভার সচিবালয়। ঋতব্রতপন্থী ১০ জন বিধায়ককে চিঠি পাঠানো হয়েছে বিধানসভার সচিবালয় থেকে। সাতদিনের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে তাঁদের।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব থেকে বেরিয়ে এসে আলাদা শিবির তৈরি করেন ৬৫ জন তৃণমূল বিধায়ক। সংখ্যাগরিষ্ঠতার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা এবং আখরুজ্জামানকে বিরোধী দলের মুখ্য সচেতকের মর্যাদা দেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু। যদিও সেই ঘটনার বিরোধিতা করেন মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়করা। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সেইসময় উল্লেখ করেন, তৃণমূল দল থেকে আমাকে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে। সেই চিঠি দলের পক্ষ থেকে বিধানসভাকে দেওয়া হয়। তারপর কী করে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করা হল? এমনকি ঋতব্রতর বিধায়ক পদ খারিজেরও দাবি তোলেন শোভনদেববাবু। ওই চিঠির প্রেক্ষিতে কড়া পদক্ষেপ করল বিধানসভা সচিবালয়।
ঋতব্রতপন্থী ১০ জন বিধায়ককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জামান, ফিরহাদ হাকিম, বিপ্লব মিত্র, অরূপ রায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন প্রমুখকে চিঠি দিয়েছে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান বলেন, বিধানসভার প্রধান সচিব চিঠি পাঠিয়েছেন আমাদের। সাতদিনের মধ্যে দলগত অবস্থান জানিয়ে উত্তর দিতে বলেছেন। আমাদের বিধায়ক পদ খারিজ করতে পারবেন না শোভনদেববাবু। তাঁদের বিধায়ক পদ আদৌ থাকে কি না, তা কয়েকদিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। ওই চিঠি বিধানসভাকে গত জুলাই মাসে দিয়েছিলেন শোভনদেববাবু। তারপর বিধানসভা কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না-করায় সোমবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন তিনি। শোভনদেববাবু বলেন, ওঁরা দল বিরোধী কাজ করেছেন। বিধায়ক পদে থাকার এক্তিয়ার ওঁদের নেই। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০ জনের সাংসদ পদ খারিজ করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে।