


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে এবার কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টি (সপা)। বিহারে স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (স্যার) কমবেশি সব রাজনৈতিক দলকেই নাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও সবার আগে এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিজেপিকে টার্গেট করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। এনআরসি’র ধাঁচেই বিজেপি সরকার কিছু ষড়যন্ত্র করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা, বিজেপি যে বাংলায় ভোটার তালিকা নিয়ে কিছু জট পাকাতে পারে, তা আন্দাজ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাই গত মার্চ মাসেই দলকে দিয়ে বাড়ি বাড়ি ভোটার তালিকা পরীক্ষা কর্মসূচি শুরু করেন।
ডুপ্লিকেট এপিক ইস্যুর পাশাপাশি বিজেপির ভুয়ো ভোটার ধরতেই ছিল ওই অভিযান। বিরোধীদের অভিযোগ, যখন যে রাজ্যে ভোট হয়, তার কয়েক মাসে আগে সেখানে বিজেপির কয়েক হাজার কর্মী পরিযায়ী হিসেবে গিয়ে কোনও ঠিকানায় নিজেদের নামে ভোটার কার্ড তৈরি করে। আর এই ‘ফ্লাইং ভোটার’রাই আচমকা বাড়িয়ে দেয় বিজেপির ভোট। তাই আগে থেকেই সচেতন হয়ে পাহারাদারের ভূমিকা নেন মমতা। এবার উত্তরপ্রদেশে সেই মমতা মডেলই অনুকরণ করছে কংগ্রেস ও সপা। রাজনৈতিক সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশে এই কমসূচি নিচ্ছে মোদি বিরোধী দুই দল। উত্তরপ্রদেশে ভোট ২০২৭ সালে। হাতে সময় আছে। তাই এখন থেকেই কং-সপা যৌথভাবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা মিলিয়ে ভোটারদের চিহ্নিত করে রাখার কাজ শুরু করছে। উত্তরপ্রদেশে সংখ্যালঘুদের সিংহভাগই সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের ভোটার। তাই সেই অংশকে বাদ দিতে বিজেপি কোনও ষড়যন্ত্র করতে পারে বলেই মোদি বিরোধীদের আশঙ্কা। তাই এখন থেকেই সতর্ক হয়ে উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কাজে নামছে কং-সপা।