সংবাদদাতা, বনগাঁ: অন্যের বার্ধক্যভাতা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। বাগদার রামনগরের বাসিন্দা গোপাল মণ্ডলের অভিযোগ, প্রায় ৬ বছর ধরে বার্ধক্যভাতার টাকা ঢোকেনি নিজের অ্যাকাউন্টে। একাধিকবার দুয়ারে সরকার ও বিডিওর কাছে অভিযোগ জানালেও সদুত্তর মেলেনি। সম্প্রতি, বৃদ্ধ জানতে পারেন তাঁর বার্ধক্যভাতার টাকা বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের পদ্মপুকুরের তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য রূপালি বিশ্বাসের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে গত ৬ বছর ধরে। মঙ্গলবার এবিষয়ে বাগদা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন গোপালবাবু। আগেই বিডিও অফিসে অভিযোগ করেছিলেন বলে জানান তিনি। তদন্ত শুরু করেছে বাগদা থানার পুলিশ। গোপাল মণ্ডল বলেন, তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য ৬ বছর ধরে বার্ধক্য ভাতা নিয়ে নিয়েছেন। আমি চাই প্রশাসন বিষয়টি দেখুক। এবিষয়ে বয়রা পঞ্চায়েতের প্রধান সুষমা মণ্ডল বলেন, আমরা বিষয়টি জানার পর বিডিওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। পঞ্চায়েত সদস্য ট্রেজারিতে টাকা ফেরত দেবেন বলেছেন। একটি কিস্তির টাকা তিনি ফেরতও দিয়েছেন। বনগাঁ জেলা বিজেপি যুব নেতা দেবব্রত ঢালি জানিয়েছেন, তৃণমূলের সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য দুর্নীতিগ্রস্ত। রূপালি বিশ্বাসের গ্রেপ্তার চাইছি। রূপালি বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, ব্যাংকের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের মালিকের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল বাগদার বেয়ারা বাজারে। অভিযুক্তকে ব্যাংকে আটকে বিক্ষোভ দেখায় গ্রাহকরা। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।



