


নয়াদিল্লি: কেবিন লাগেজে ৭ কেজি ওজন পর্যন্ত ছাড় রয়েছে। কিন্তু দ্বিগুণেরও বেশি অর্থাৎ ১৬ কেজি ওজনের ব্যাগপত্র নিয়ে বিমানবন্দরে হাজির হন এক সেনা আধিকারিক। আর সেই অতিরিক্ত লাগেজের জন্য টাকা চাইতেই বিপত্তি। অভিযোগ, টাকা দেওয়া তো দূরের কথা, রাগের চোটে স্পাইসজেট কর্মীদের বেধড়ক মারধর করলেন সেনা আধিকারিক। ঘটনায় জখম হয়েছেন চার স্পাইসজেট কর্মী। কারও শিরদাঁড়া ভেঙেছে। কারও থুতনি ফেটে গিয়েছে। এক কর্মীকে আবার অচৈতন্য অবস্থায় সমানে লাথি মারতে থাকেন অভিযুক্ত। গত ২৬ জুলাই শ্রীনগর বিমানবন্দরের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে স্পাইসজেটের তরফে জানানো হয়েছে, ২৬ জুলাই শ্রীনগর থেকে দিল্লির উদ্দেশে পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল ওই সেনা আধিকারিকের। সেইমতো দু’টি কেবিন লাগেজ নিয়ে হাজির হন তিনি। ওজন ছিল মোট ১৬ কেজি। তাই তাঁকে আটকানো হয়। তাঁকে ভালোভাবে অনুরোধ করা হয়। আন্তরিকভাবে জানানো হয়, এজন্য অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হবে। কিন্তু কোনও কথা শুনতে চাননি তিনি। জোর করে বিমান উঠতে চেয়েছিলেন। নিয়ম মেনে তাঁকে ফেরত পাঠান সিআইএসএফ জওয়ানরা। এরপরই রেগে রীতিমতো তাণ্ডব শুরু করে দেন তিনি। বিনা প্ররোচনায় চার স্পাইসজেট কর্মীকে বেধড়ক মারধর করেন। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই যাত্রীকে ‘নো ফ্লাই’ তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এনিয়ে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। সেনার তরফেও অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, শুক্রবার রাতে উত্তরপ্রদেশের মিরাট ক্যান্টনমেন্ট রেল স্টেশনে গাড়ি নিয়ে প্ল্যাটফর্মে ঢুকে পড়লেন সন্দীপ নামে আর এক জওয়ান। মদ্যপ অবস্থায় ট্রেনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটিয়ে নিয়ে যান গাড়ি। এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।