নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বড়দিন-নববর্ষের ভিড়ে জমজমাট থাকে কলকাতার পার্ক স্ট্রিট। সেই উৎসবের ধাঁচে গত বছর হাওড়ার ডুমুরজোলার ষষ্ঠী নারায়ণ ইকো পার্কে শুরু হয়েছিল ক্রিসমাস কার্নিভাল। হাওড়ার বাসিন্দাদের কাছে এই কার্নিভাল হয়ে উঠেছে বছর শেষের উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ। এবছর কার্নিভাল আরও বড় পরিসরে হতে চলেছে। রবিবার থেকে পয়লা জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। শান্তিনিকেতনের ধাঁচে সোনাঝুরির হাট, সুন্দরবনের টেরাকোটার স্টল থাকছে। যা অন্যতম চমক বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।
Advertisement
রবিবার শৈলেন মান্না সরণি সংলগ্ন ইকো পার্কে প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন কার্নিভাল কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় ও কমিটির ছয় সদস্য। ছিলেন হাওড়া পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী। আজ উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়, সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য বিধায়করা। প্রতিদিন বিকেল চারটে থেকে রাত দশটা পর্যন্ত কার্নিভাল চলবে। রকমারি খাবার, শীতবস্ত্র, ঘর সাজানোর জিনিসের পসরা নিয়ে বসছে ৭৩টি স্টল। গতবছরের তুলনায় ২১টি স্টল বেশি থাকছে এবার। পার্কের অন্দরে বোলপুর শান্তিনিকেতনের ধাঁচে তৈরি করা হয়েছে সোনাঝুরির হাট। পাশাপাশি সুন্দরবনের টেরাকোটা শিল্পদ্রব্যের একটি বিশেষ স্টলও এবার নজর কাড়বে মানুষের। শিশুদের খেলার জায়গার পাশাপাশি বড়দের জন্য থাকছে সেলফি জোন। পুরসভার মুখ্য প্রশাসক বলেন, ‘প্রবেশের জন্য কোনও টিকিট লাগবে না। পার্কিংও বিনামূল্যে। পার্কিংয়ের বিষয়টি হাওড়া সিটি পুলিস দেখছে।’
রবিবার দুপুর থেকেই ইকো পার্কে ভিড় জমতে শুরু করে। সন্ধ্যার পর শৈলেন মান্না সরণির বেলেপোল থেকে শানপুর পর্যন্ত রাস্তা ঝলমল করেছে বাহারি আলোকসজ্জায়। ঘুরতে আসা মানুষের বক্তব্য, ‘বড়দিনের সময় পার্ক স্ট্রিট ছাড়া এতদিন কোনও বিকল্প ছিল না। ভিড়ের কারণে বাচ্চাদের নিয়ে সেখানে যাওয়ার অবস্থা থাকে না। কলকাতার টুরিস্ট স্পটগুলিতেও ভীষণ ভিড়। এখন হাওড়ায় এত সুন্দর ক্রিসমাস কার্নিভাল হওয়ায় অন্য কোথাও যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ কার্নিভালের চেয়ারম্যান সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘গত বছর শুধু হাওড়া থেকেই নয় আশেপাশের জেলা এমনকি কলকাতা থেকেও প্রচুর মানুষ এসেছিলেন। সে কারণে এবার আরও জাঁকজমক করা হচ্ছে।’
কার্নিভালে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পীদের অনুষ্ঠান হবে। সঙ্গীত পরিবেশন করবেন রাঘব চট্টোপাধ্যায়, মনোময় ভট্টাচার্য, সিধু, রূপঙ্কর বাগচী, লোপামুদ্রা, কুমার সঞ্জয় প্রমুখ। পাশাপাশি বিভিন্ন মিউজিক্যাল ব্যান্ড, স্থানীয় সঙ্গীতশিল্পী, ম্যাজিশিয়ানরা অনুষ্ঠান করবেন।
রবিবার দুপুর থেকেই ইকো পার্কে ভিড় জমতে শুরু করে। সন্ধ্যার পর শৈলেন মান্না সরণির বেলেপোল থেকে শানপুর পর্যন্ত রাস্তা ঝলমল করেছে বাহারি আলোকসজ্জায়। ঘুরতে আসা মানুষের বক্তব্য, ‘বড়দিনের সময় পার্ক স্ট্রিট ছাড়া এতদিন কোনও বিকল্প ছিল না। ভিড়ের কারণে বাচ্চাদের নিয়ে সেখানে যাওয়ার অবস্থা থাকে না। কলকাতার টুরিস্ট স্পটগুলিতেও ভীষণ ভিড়। এখন হাওড়ায় এত সুন্দর ক্রিসমাস কার্নিভাল হওয়ায় অন্য কোথাও যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ কার্নিভালের চেয়ারম্যান সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘গত বছর শুধু হাওড়া থেকেই নয় আশেপাশের জেলা এমনকি কলকাতা থেকেও প্রচুর মানুষ এসেছিলেন। সে কারণে এবার আরও জাঁকজমক করা হচ্ছে।’
কার্নিভালে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পীদের অনুষ্ঠান হবে। সঙ্গীত পরিবেশন করবেন রাঘব চট্টোপাধ্যায়, মনোময় ভট্টাচার্য, সিধু, রূপঙ্কর বাগচী, লোপামুদ্রা, কুমার সঞ্জয় প্রমুখ। পাশাপাশি বিভিন্ন মিউজিক্যাল ব্যান্ড, স্থানীয় সঙ্গীতশিল্পী, ম্যাজিশিয়ানরা অনুষ্ঠান করবেন।



