সংবাদদাতা, বসিরহাট: ঝুপখালি ও বেরমজুরের সংযোগস্থলে ব্রিজ তৈরি করে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী এমন কথা ঘোষণা করার পরেই হাততালি ও শঙ্খধ্বনিতে সভাস্থল ভরিয়ে দিল উপস্থিত মানুষ। এলাকাবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে ওখানে ব্রিজ তৈরি করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তবে শুধু এই ব্রিজ নয়, এদিন মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক সুন্দরবন এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। প্রতিবারই হাততালি আর শঙ্খধ্বনিতে তাঁর ঘোষণাকে স্বাগত জানান সন্দেশখালির বাসিন্দারা।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকে সন্দেশখালির আতাপুরের রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস না দেওয়ায় আতাপুর হাইস্কুলের ছাত্রীরা বিক্ষোভ অবস্থান শুরু করে। তাদের বিক্ষোভ সামলাতে ছুটে আসে পুলিস ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় বিধায়ক সুকুমার মাহাতকে। সন্দেশখালির আতাপুর স্কুলে যাওয়ার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে ছাত্রীদের অভিযোগ। বিক্ষিপ্ত এক ছাত্রী সুতপা মণ্ডল বলেন, সরকারের দেওয়া সাইকেলে করে স্কুলে যেতে পারি না, এতটাই খারাপ রাস্তা। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে ওই রাস্তায়। এলাকার কোনও বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্স করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কোনও উপায় নেই। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার গাড়ি আছে। কিন্তু তাঁরা গাড়ি রাস্তায় বের করেন না। কারণ যন্ত্রাংশ ভেঙে যাওয়ার ভয় রয়েছে। প্রশাসনের লোকজনের চোখের সামনেই এই সব কাণ্ড ঘটে চলেছে। কিন্তু তাঁরা সব কিছু দেখেও না দেখার ভান করে থাকেন। তাই বাধ্য হয়ে আমরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছি। ছাত্রীদের এই বিক্ষোভের খবর পুলিস জানায় বিধায়ককে। বিধায়ক ছাত্রীদের জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ওই রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করে দেবেন। এই আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভ-অবস্থান তুলে নেয় ছাত্রীরা।



