নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: সন্দেশখালিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘সন্দেশ হাব’ তৈরির ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। তারপরেই তৎপর হয় জেলা প্রশাসন। এজন্য প্রাথমিক পর্যায়ের জমি পরিদর্শন সহ বিভিন্ন সার্ভে রিপোর্ট জমা পড়ল নবান্নে। কোন জায়গায় এই হাব তৈরি হলে সুবিধা হবে, সেই পরিকল্পনাও রাজ্য দপ্তরে পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন। কর্তাদের দাবি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এনিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশিকা এসে যাবে। তারপরেই শুরু হবে হাবের কাজ।
Advertisement
গত বছর জানুয়ারি মাস থেকে সন্দেশখালি আন্দোলন নিয়ে তোলপাড় হয় গোটা রাজ্যে। জমি দখল নিয়ে রাজ্য সরকারের উপর ‘চাপ’ বাড়াতে শুরু করে বিরোধীরা। অভিযোগ ওঠে, সরকারি বা ব্যক্তিগত জমি বেহাত হয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তাঁর শাগরেদরা জমি দখল করে নিচ্ছেন। তবে, বেহাত হওয়া অনেক জমিই শিবির করে ফেরায় রাজ্য সরকার। এদিকে, চব্বিশের লোকসভা ভোটের আগে সন্দেশখালিতে আসার কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই মতো ৩০ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচিতে সন্দেশখালিতে যান। সেখানে একগুচ্ছ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন তিনি। তার মধ্যে অন্যতম ছিল সন্দেশখালিতে ‘সন্দেশ হাব’।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। সরকারি এক একর জায়গাতে এই হাব তৈরি হবে। সূত্রের দাবি, সন্দেশখালি ১ ব্লকে সরকারি জমি রয়েছে ৪৫৯৬ একর। এর মধ্যে বাধামুক্ত জমি ৪৪৩৬ একর। আর সন্দেশখালি ২ ব্লকে সরকারি জমি ৭০৬৯ একর। এর মধ্যে বাধামুক্ত জমি ৬৯৬১ একর। ফলে, জমি পেতে কোনও অসুবিধা নেই।
কীভাবে এই হাব তৈরি হবে? জেলা প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, প্রথমে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। কোন মিষ্টি বা সন্দেশের বেশি চাহিদা আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এটা নিয়ে প্রচারের দিকটিও ভাবা হচ্ছে। তবে, ঠিকঠাকভাবে এটা তৈরি হলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এনিয়ে জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের রিপোর্ট রাজ্যে জমা পড়েছে। আমি ১২ জানুয়ারি সন্দেশখালি ২ ব্লকে যাব। হাব তৈরি নিয়ে ওই দিন সমস্ত স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। সরকারি এক একর জায়গাতে এই হাব তৈরি হবে। সূত্রের দাবি, সন্দেশখালি ১ ব্লকে সরকারি জমি রয়েছে ৪৫৯৬ একর। এর মধ্যে বাধামুক্ত জমি ৪৪৩৬ একর। আর সন্দেশখালি ২ ব্লকে সরকারি জমি ৭০৬৯ একর। এর মধ্যে বাধামুক্ত জমি ৬৯৬১ একর। ফলে, জমি পেতে কোনও অসুবিধা নেই।
কীভাবে এই হাব তৈরি হবে? জেলা প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, প্রথমে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। কোন মিষ্টি বা সন্দেশের বেশি চাহিদা আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এটা নিয়ে প্রচারের দিকটিও ভাবা হচ্ছে। তবে, ঠিকঠাকভাবে এটা তৈরি হলে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এনিয়ে জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের রিপোর্ট রাজ্যে জমা পড়েছে। আমি ১২ জানুয়ারি সন্দেশখালি ২ ব্লকে যাব। হাব তৈরি নিয়ে ওই দিন সমস্ত স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা হবে।



