Bartaman Logo
৪ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুলিশের টর্চের আলো দেখেই গাড়ি ফেলে চম্পট পাচারকারীরা, ত্রিপল সরাতেই উদ্ধার গবাদি পশু

পুলিশের টর্চের আলো দেখেই গাড়ি থামিয়ে দৌড়ে পালাল চালক ও খালাসি। সন্দেহ হওয়ায় গাড়ির পিছনের ত্রিপল সরাতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের

পুলিশের টর্চের আলো দেখেই গাড়ি ফেলে চম্পট পাচারকারীরা, ত্রিপল সরাতেই উদ্ধার গবাদি পশু
  • ৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫১
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: পুলিশের টর্চের আলো দেখেই গাড়ি থামিয়ে দৌড়ে পালাল চালক ও খালাসি। সন্দেহ হওয়ায় গাড়ির পিছনের ত্রিপল সরাতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। ভিতরে কলাগাছের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় ১২টি মহিষকে উদ্ধার করল তদন্তকারী দল। আজ রবিবার সন্ধ্যায় ময়নাগুড়ি থানার পুলিশের তৎপরতায় পাচারের আগেই উদ্ধার হল ওই গবাদি পশুগুলি।
জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো এদিন সন্ধ্যায় ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ গাড়ি নিয়ে সড়কপথে টহল দিচ্ছিল। ঠিক সেই সময় ময়নাগুড়ি-ধূপগুড়ি জাতীয় সড়কের হুসলুডাঙ্গা টোল প্লাজার সামনে একটি গাড়িকে ধীরে চালাতে দেখা যায়। এরপর পুলিশের এক আধিকারিক টর্চের আলো দেখান। পুলিশের গাড়ি এবং টর্চের আলো দেখতে পেয়েই গাড়িটি থামিয়ে দেন চালক। তারপর পুলিশ কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়ি থেকে নেমে চালক ও খালাসি দৌড়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় সন্দেহ হয় পুলিশের। যার ফলে গাড়িটির কাছে গিয়ে পিছনে থাকা ত্রিপল সরাতেই দেখা যায় ভিতরে কলাগাছের পাতা ছড়িয়ে রাখা রয়েছে। আর সেই পাতার পাশেই বাঁধা অবস্থায় রয়েছে ১২টি মহিষ। সঙ্গে সঙ্গে মহিষগুলিকে উদ্ধার করে গাড়িটিকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ মারফত জানা গিয়েছে, মহিষগুলিকে গাড়িতে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। চালক ও খালাসি দুইজনেই পালিয়ে গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া মহিষগুলিকে খোয়ারে রাখা হবে। এই পাচারচক্রের সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। পাশাপাশি ময়নাগুড়ি থানার আইসি শীর্ষেন্দু দাস জানান, প্রতিনিয়ত আমাদের সড়কপথে নজরদারি চলছে। 

Advertisement

উল্লেখ্য, এর আগেও ময়নাগুড়ি থানার পুলিশের অভিযানে পাচারের আগে একাধিক গবাদি পশু উদ্ধার করা হয়েছে। কিছুদিন আগেই রানিরহাট মোড় এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছিল আটটি মহিষ। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে। তার আগে ইন্দিরা মোড় এলাকার অসমগামী জাতীয় সড়কে একটি লরি থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৩৬টি মহিষ।

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ