নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্ত পারাপারের ক্ষেত্রে বড়সড় এজেন্ট নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল সমরেশ বিশ্বাস ও রিপন বিশ্বাস। তার জন্য প্রায় শতাধিক এজেন্টকে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ করেছিল তারা। তাদের কাজ ছিল, বাংলাদেশিদের পারাপার করানো। প্রতি ক্ষেত্রে এজেন্টদের মোটা টাকা কমিশন দিত বাবা ও ছেলে।
Advertisement
ধৃত সমরেশ ও রিপন বিশ্বাস জেরায় জানিয়েছে, বনগাঁ, বসিরহাট, ঘোজাডাঙ্গা সহ উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় তাদের কয়েকশো এজেন্ট রয়েছে। এই এজেন্টরা অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের ভারতে আসতে সাহায্য করে।
সমরেশ একসময় বনগাঁ এলাকায় বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশে দালালির কাজ করত। সে তৈরি করেছিল এজেন্ট নেটওয়ার্ক। এরপর এজেন্টদের কাজে লাগিয়ে অনুপ্রবেশেকারীদের এদেশে আনার ব্যবসা শুরু করে। ধৃতরা পুলিসকে জানিয়েছে, ৯ আগষ্ট হাসিনা সরকার পতনের পর বাংলাদেশিদের এদেশে অনুপ্রবেশের প্রবণতা বেড়ে যায়। তারা কয়েক হাজার বাংলাদেশিকে এই সময়কালে পারাপার করিয়েছে। অনেকদিন ধরেই তারা এই কাজ করছে। এর আগে সমরেশ চুঁচুড়া ও বারাসত থানার হাতে ধরা পড়ে। এমনকী দিল্লি পুলিসও তাকে ধরেছিল। এজেন্টরা অনুপ্রবেশকারীদের নথি তৈরি করে দিত। সমরেশ ও তার ছেলে রিপনের কাছে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে আসত এজেন্টরা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গে যোগসূত্র ছিল সমরেশ ও রিপনের। তাদের মাধ্যমে পাসপোর্টের ঠিকানা বদলে দেওয়া হতো। তৎকাল পাসপোর্টও করানো হতো। ডিআইজি কর্তাদের সই ও নথি নকল করে জমা দিত তারা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দীপক মণ্ডল নামে আরও একজনকে এই পাসপোর্ট কাণ্ডে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের সিকিউরিটি কন্ট্রোল অফিস। এই ঘটনায় পুলিসের নজরে রয়েছে আরও এক যুবক। ধৃত দীপক জেরায় জানিয়েছে, এই কাজের জন্য সে পাসপোর্ট পিছু হাজার টাকা করে পেত। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাদের নেটওয়ার্ক অন্য জেলাতেও ছড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্ন জেলার পোস্টাল ডিপার্টমেন্ট ও পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের কর্মীদের একাংশ এই চক্রে রয়েছে। এনআইএ জাল পাসপোর্ট কাণ্ডে যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তাদের সঙ্গে সমরেশের যোগ মিলেছে বলে খবর।
সমরেশ একসময় বনগাঁ এলাকায় বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশে দালালির কাজ করত। সে তৈরি করেছিল এজেন্ট নেটওয়ার্ক। এরপর এজেন্টদের কাজে লাগিয়ে অনুপ্রবেশেকারীদের এদেশে আনার ব্যবসা শুরু করে। ধৃতরা পুলিসকে জানিয়েছে, ৯ আগষ্ট হাসিনা সরকার পতনের পর বাংলাদেশিদের এদেশে অনুপ্রবেশের প্রবণতা বেড়ে যায়। তারা কয়েক হাজার বাংলাদেশিকে এই সময়কালে পারাপার করিয়েছে। অনেকদিন ধরেই তারা এই কাজ করছে। এর আগে সমরেশ চুঁচুড়া ও বারাসত থানার হাতে ধরা পড়ে। এমনকী দিল্লি পুলিসও তাকে ধরেছিল। এজেন্টরা অনুপ্রবেশকারীদের নথি তৈরি করে দিত। সমরেশ ও তার ছেলে রিপনের কাছে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে আসত এজেন্টরা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গে যোগসূত্র ছিল সমরেশ ও রিপনের। তাদের মাধ্যমে পাসপোর্টের ঠিকানা বদলে দেওয়া হতো। তৎকাল পাসপোর্টও করানো হতো। ডিআইজি কর্তাদের সই ও নথি নকল করে জমা দিত তারা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দীপক মণ্ডল নামে আরও একজনকে এই পাসপোর্ট কাণ্ডে গ্রেপ্তার করে লালবাজারের সিকিউরিটি কন্ট্রোল অফিস। এই ঘটনায় পুলিসের নজরে রয়েছে আরও এক যুবক। ধৃত দীপক জেরায় জানিয়েছে, এই কাজের জন্য সে পাসপোর্ট পিছু হাজার টাকা করে পেত। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাদের নেটওয়ার্ক অন্য জেলাতেও ছড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্ন জেলার পোস্টাল ডিপার্টমেন্ট ও পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের কর্মীদের একাংশ এই চক্রে রয়েছে। এনআইএ জাল পাসপোর্ট কাণ্ডে যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তাদের সঙ্গে সমরেশের যোগ মিলেছে বলে খবর।



